ঢাকা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী একযোগে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা ভারতে একের পর এক ঐতিহাসিক মসজিদ ভাঙার হিড়িক এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ফের শুরু হচ্ছে আমদানি-রপ্তানি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, দুই সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার ও সম্পত্তি হস্তান্তর আইন: ন্যায়বিচারে নতুন দিগন্ত বাংলাদেশের বিশেষায়িত ওষুধে শুল্কছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র জেলা শহরে চালু হচ্ছে স্কুলবাস

ওমিক্রনের পর নতুন করে আরেকটি ভ্যারিয়েন্ট আসবে

#

স্বাস্থ্য ডেস্ক

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২,  6:09 PM

news image

করোনাভাইরাসের নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট তৈরি হবে। ওমিক্রনের পর নতুন করে আরেকটি ভ্যারিয়েন্ট আসবে। যদিও ভ্যারিয়েন্টগুলো তেমন ভয়াবহ হবে বলে মনে করেন না অণুজীব বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল। তিনি বলেন, সবার দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সমান নয়। মহামারি আকারে যেভাবে ছড়িয়ে গেছে তাতে নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট তৈরি হবেই। যাদের ইমিউনিটি লেভেল নিম্ন, যে সব ব্যক্তিদের মধ্যে ইমিউনিটি কম উৎপাদন হয় তাদের অবস্থা খারাপের দিকে যেতে পাড়ে। অ্যান্টিবডি কম থাকাদের ভেতরে ভাইরাসটি অনেক সময় রিসেপ্টর পরিবর্তন করে বলে মনে করেন এই অণুজীব বিজ্ঞানী। সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে সিঙ্গাপুরে গণমাধ্যমের সঙ্গে এসব কথা বলেন বিজ্ঞানী বিজন কুমার শীল। তিনি বলেন,

অ্যান্টিবডির বিপরীতেই ওমিক্রনের অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। সুতরাং নতুন ভ্যারিয়েন্ট হবেই। কোথায় হবে সেটি বলা না গেলেও এটি নিশ্চিত যে ওমিক্রনের পরও আরেকটি ভ্যারিয়েন্ট আমরা দেখতে পাবো। ওমিক্রনের মধ্যেও আমরা দেখেছি তিনটি উপ-ধরন তৈরি হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে বিএ.১, বিএ.২ এবং বিএ.৩। এই তিনটি ভ্যারিয়েন্টের মধ্যে প্রথম এবং দ্বিতীয়টি একটু কাছাকাছি ছিল। বিএ.১ এর চেয়ে বিএ.২ বেশি সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। যদিও এর কারণ নিয়ে গবেষণা হয়নি। ড. বিজন বলেন, একটি কথা মনে রাখতে হবে, ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টিকারী কোষ চারটি একসঙ্গে কাজ করে। সুতরাং ভ্যারিয়েন্ট যাই আসুক তা ব্যাপক বিস্তার হবে না। ওমিক্রন তাদেরই বেশি হচ্ছে যারা টিকা নেয়নি, এছাড়া যাদের কমোরবিদ কন্ডিশন রয়েছে তারও আক্রান্ত হচ্ছেন। এর আগে ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়ায় মানুষের শরীরে দ্রুত প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হবে বলে জানিয়েছিলেন বিশিষ্ট এই অণুজীব বিজ্ঞানী। তিনি ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়াকে ভালো উল্লেখ করে জানান, বেশি ছড়িয়ে পড়লে টিকার চেয়ে বেশি কার্যকর হবে। ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ছিলেন অণুজীব বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল। তিনি করোনার কিট শুরুতে কাজ করে আলোচনায় আসেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম