ঢাকা ০৩ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশ দূতাবাস ফ্রান্সের আয়োজনে প্যারিসে ৫৫তম মহান স্বাধীনতা-জাতীয় দিবস উদযাপন বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী সৌদি আরব আমির হামজার বিরুদ্ধে সমন জারি ‘যৌন নিপীড়ন’র অভিযোগ: জামিন পেলেন গায়ক জাহিদ অন্তু এক লাফে ৩৮৭ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম অবৈধভাবে মজুত করা ৩ লাখ ৭২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার এ বছর বর্ষায় রাজধানীর জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন সম্ভব নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক ১১ দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা জুনের মধ্যে ‘বাংলা কিউআর’ চালু না করলে জরিমানা করা হবে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

ঈশ্বরদীতে রিকশাচালককে গুলি করে হত্যা, আটক ৩

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৪ জানুয়ারি, ২০২৩,  2:07 PM

news image

পাবনার ঈশ্বরদীতে রিকশাচালক মামুন হোসেনকে গুলি করে হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ঈশ্বরদী পৌর সদরের শৈলপাড়া মহল্লার আনোয়ার উদ্দিন (৩৫), আকরাম হোসেনের ছেলে ইব্রাহিম হোসেন (২৬) এবং শহিদুল ইসলামের ছেলে সাকিবুর ইসলাম সাকিব (১৭)। শনিবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয় চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী। তিনি বলেন, গত ৪ জানুয়ারি রাতে ঈশ্বরদীর পশ্চিম টেংরি এলাকায় ভুটভুটির সঙ্গে সংঘর্ষে পিকআপের সামনের গ্লাস ভেঙে যায়। ক্ষতিপূরণ আদায় নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে সুজনের কথা কাটাকাটি হয়। তিনি তা ফোনে দুলাভাই আনোয়ার উদ্দিনকে জানান।

পরে নিজের লোকজন নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এসময় আনোয়ারের গুলিতে রিকশাচালক মামুন মারা যান।ঘটনায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গত তিনদিনে অভিযান চালিয়ে ঈশ্বরদীর আরামবাড়িয়া থেকে আনোয়ার, পাকশী থেকে ইব্রাহিম এবং রাজশাহীর চারঘাট থেকে সাকিবকে গ্রেপ্তার করে। সেই সঙ্গে হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার আনোয়ারের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় চুরি, মাদক ও মারামারির চারটি মামলা রয়েছে। এছাড়া ইব্রাহিম হত্যায় নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, গত ৪ জানুয়ারি রাতে তুচ্ছ ঘটনায় কথা কাটাকাটির জেরে রিকশাচালক মামুনকে গুলি করে হত্যা করের আনোয়ার। এই ঘটনায় আহত হন দুজন। পরে নিহতের মা লিপি আক্তার বাদী হয়ে চারজনকে নামীয় ও অজ্ঞাতনামা আরো তিন-চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় এক নম্বর আসামি পৌর কাউন্সিলর ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা কামাল উদ্দিন এবং তার ভাতিজা হৃদয় হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম