আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৫ এপ্রিল, ২০২৬, 11:28 AM
ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে। বার্তা সংস্থাটি জানায়, শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে আরাগচি ইসলামাবাদে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির।তার এই সফর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা আলোচনার পথ খুলে দিতে পারে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আরাগচি পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন, যেখানে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হবে। ইসলামাবাদ তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ এগিয়ে নিতে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাওয়ার মধ্যেই এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকভ এবং উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার শনিবার পাকিস্তানে গিয়ে ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভেট বলেন, “আমি নিশ্চিত করছি, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার শনিবার সকালে আবার পাকিস্তানে যাবেন, যেখানে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় তারা ইরানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করবেন।” তিনি জানান, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স যুক্তরাষ্ট্রেই থাকবেন। তবে আলোচনার পুরো প্রক্রিয়ায় তিনি ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত থাকবেন। সূত্রগুলোর মতে, পাকিস্তান ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা আলোচনা পুনরায় শুরু করতে সক্রিয় প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তেহরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা নতুন করে আলোচনার পথ তৈরি করতে পারে। এর আগে ১১-১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে প্রথম দফা সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সেই আলোচনা অবশ্য ভেস্তে গেছে। পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করতে চেষ্টা জোরদার করেছে। সূত্রগুলো জানায়, তেহরানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ১১-১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার সরাসরি সংলাপের পর নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে। এই আলোচনার আগে ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি হয়েছিল, যা পরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাড়ান। ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধের পর থেকে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই বৃহত্তর সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে এসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি