ঢাকা ২২ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
অনুমতি না নিয়েই গাছ কর্তন, টেন্ডার ছাড়াই প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতা সুখী-সমৃদ্ধ কল্যাণমুখী নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে: মির্জা ফখরুল চাচা-ভাতিজা হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইকুয়েডরের গোয়েন্দাপ্রধানসহ নিহত ৭ বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ: ড. ইউনূসসহ ২৭ জনের নামে মামলার আবেদন নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন কে, মত দিল আইন মন্ত্রণালয় কলকাতায় হোটেলে আগুন: ইজারাদারসহ গ্রেপ্তার ৩

ইরানে যুদ্ধে নিহত কনিষ্ঠ কুর্দি নারী যোদ্ধা

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২০ এপ্রিল, ২০২৬,  11:19 AM

news image

উত্তর ইরাকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসির 'কথিত' ড্রোন হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ১৯ বছর বয়সী কুর্দি নারী যোদ্ধা গজল মোলান চাপারাবাদ। কুর্দি পেশমার্গা বাহিনীর কনিষ্ঠ সদস্যদের একজন ছিলেন তিনি। সম্প্রতি তাঁর বাগদান সম্পন্ন হয়েছিল বলে জানা গেছে। কুর্দিস্তান প্রেস এজেন্সি কুর্দপার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৪ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির সপ্তম দিনে উত্তর ইরাকের সুরদাশ এলাকার একটি আবাসিক স্থানে এই হামলা চালানো হয়। সেখানে ইরানের বিরোধী সংগঠন কোমালা অব দ্য টয়লার্স অব কুর্দিস্তানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো অবস্থান করছিল। হামলায় গুরুতর আহত হন গজল। পরে কোমালা পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সচিবালয় এক বিবৃতিতে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে এবং তাঁকে শহীদ হিসেবে উল্লেখ করে। হামলার পর প্রকাশিত কিছু ছবিতে একটি ড্রোনে ‘আমার শহীদ নেতা সাইয়্যিদ আলী খামেনির স্মরণে’ লেখা দেখা গেছে। তবে এই হামলার দায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি ইরান। গজলের মৃত্যুকে ঘিরে চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাঁকে শোরশ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা না থাকায় তাঁকে বাখশিন হাসপাতালে নেওয়া হলে পরিচয় জানার পর ভর্তি নিতে অস্বীকৃতি জানানো হয় বলে অভিযোগ করেন তাঁর সঙ্গীরা। নাগরিক অধিকারকর্মী শাকিলা মাহদিপাহ বলেন, গুরুতর রক্তক্ষরণের মধ্যেও চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। পরে ফারুক মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হলে ততক্ষণে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে এবং সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পরও বিড়ম্বনা থামেনি। মর্গের কর্মীরাও মরদেহ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ উঠেছে। শেষ পর্যন্ত সুলাইমানিয়া শহরের একটি লাইব্রেরিতে তাঁর বন্ধু ও হবু স্বামী মিলে শেষকৃত্যের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে সীমিত পরিসরে দ্রুততার সঙ্গে তাঁর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করা হয়। জানা গেছে, একই দিনে একটি পেশমার্গা কবরস্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনাও ঘটে, যা পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। কুর্দি মানবাধিকারকর্মী রাদা ফাতেহি বলেন, কম বয়সেই সংগ্রামের পথ বেছে নেওয়া গজলের মতো তরুণীরা অসামান্য সাহসের পরিচয় দিয়েছেন। জেরুজালেম পোস্ট

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম