ঢাকা ২২ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বিদায় আবদুস সাদেক: অবমূল্যায়ন আর আক্ষেপের এক অধ্যায়ের সমাপ্তি শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে স্কুল-কলেজের কমিটিগুলোকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার কাছে পাত্তা পেল না বাংলাদেশ কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন আর নেই নজরুল বর্ষ পালনের সিদ্ধান্ত, প্রজ্ঞাপন জারি মালয়েশিয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইলিয়াস আলীকে অপহরণ করেছিলেন জিয়াউল আহসান: চিফ প্রসিকিউটর ২৩ জুনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন করার চেষ্টাকারীরা ঝুঁকির মধ্যে পড়বে: র‌্যাব

ইরানি রিয়ালের রেকর্ড পতন, অতিষ্ট জনজীবন

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৩০ এপ্রিল, ২০২৬,  11:32 AM

news image

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেই বড় ধরনের অর্থনৈতিক ধাক্কার মুখে পড়েছে ইরান। বুধবার দেশটির জাতীয় মুদ্রা রিয়ালের মান ইতিহাসে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। খোলা বাজারে প্রতি ডলারের বিপরীতে রিয়ালের মান দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখে, মানে। যা দেশটির ভঙ্গুর অর্থনীতিকে আরও খাদের কিনারে ঠেলে দিয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন নৌ-অবরোধের কারণে তেল রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশটিতে বৈদেশিক মুদ্রার চরম সংকট তৈরি হয়েছে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, মুদ্রার এই রেকর্ড পতনের ফলে ইরানে মুদ্রাস্ফীতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। খাদ্যদ্রব্য, ওষুধ থেকে শুরু করে ইলেকট্রনিক্স ও শিল্পের কাঁচামাল; সব ধরনের আমদানিকৃত পণ্যের দাম সরাসরি ডলারের দরের ওপর নির্ভরশীল।  ইতিমধ্যে গত দুই সপ্তাহে দুধ, দই, ভোজ্যতেল, চাল ও রুটির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এই দরপতন এমন এক সময়ে ঘটল যখন চলতি বছরের শুরুর দিকেই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল। এদিকে, রণক্ষেত্রে লড়াই কিছুটা থিতিয়ে এলেও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নিয়ে এখনো অচলাবস্থা কাটেনি। বিশ্বের মোট জ্বালানি পণ্যের এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরান এই প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম হু হু করে বাড়ছে। এই সংকট নিরসনে ইরান একটি প্রস্তাব দিলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কোনো সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ তুলে নেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। তার মতে, বোমাবর্ষণের চেয়ে নৌ-অবরোধ ইরানের ওপর বেশি কার্যকর চাপ সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে, এই যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে। তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সংযুক্ত আরব আমিরাত ওপেক ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তবে যুদ্ধের খরচ নিয়ে খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানে এই সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটনের খরচ হয়েছে প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে গেলেও হরমুজ প্রণালী ও পরমাণু ইস্যুতে কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত নমনীয় হওয়ার সংকেত দেয়নি। সূত্র: এপি

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম