ঢাকা ২১ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ইলিয়াস আলীকে অপহরণ করেছিলেন জিয়াউল আহসান: চিফ প্রসিকিউটর ২৩ জুনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন করার চেষ্টাকারীরা ঝুঁকির মধ্যে পড়বে: র‌্যাব ঘুষবাজের মহাগুরুরা সব সাধুবেশে, দিন গুনছে নিরাপদে ঘরে ঢোকার অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে দুই বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী বাজেটে নিম্ন আয়ের মানুষের করদায় সাড়ে ১৬ শতাংশ বাড়তে পারে : সিপিডি ১১ বলে হাফ সেঞ্চুরি, ক্রিকেট বিশ্বকে তাক লাগালেন সূর্যবংশী পূর্ববর্তী সরকারের গাফিলতিতেই টিকা সংকট: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার দেশের প্রথম 'ক্যাশলেস কারাগার' চালু মুন্সিগঞ্জে স্বাস্থ্যকর্মী ও মিডওয়াইফদের বড় সুখবর দিল সরকার তিউনিশিয়ার জালে জাপানের এক হালি

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২১ জুন, ২০২৬,  11:26 AM

news image

ইসরায়েল গত শনিবার বিকাল পর্যন্ত দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালনা করেছে। তাদের অভিযোগ, ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠী যুদ্ধবিরতির একদিন পরই ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলা চালিয়ে চুক্তি ভঙ্গ করেছে। লেবাননের গণমাধ্যম ও জরুরি সেবাকর্মীদের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছে।  আইডিএফ জানায়, তারা রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

একজন সামরিক কর্মকর্তা বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ আইডিএফকে লেবাননে ‘গুলি বন্ধ রাখার’ নির্দেশ দিয়েছেন।  চ্যানেল ১২ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমন্বয়ের পর এই নির্দেশনা জারি করা হয়।  পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক বিবৃতিতে এক ‘জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা’ জানান, নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেছেন যে ইসরায়েল তার উত্তর সীমান্ত রক্ষার প্রয়োজন যতদিন থাকবে, ততদিন দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করবে।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, নেতানিয়াহু আইডিএফকে নির্দেশ দিয়েছেন হিজবুল্লাহর যেকোনো হামলার জোরালো জবাব দিতে এবং আমাদের বাহিনীর বিরুদ্ধে থাকা হুমকিগুলো দূর করতে পদক্ষেপ নিতে। বিবৃতিতে বলা হয়, গত দুই দিনে হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে আইডিএফ ৩০০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং প্রায় ১০০ জনকে হত্যা করেছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেন, হিজবুল্লাহ যদি আবার আমাদের ওপর হামলা চালায়, তবে আমরা আরও কঠোরভাবে পাল্টা আঘাত হানব।  আইডিএফ তাৎক্ষণিকভাবে হিজবুল্লাহর হামলায় নিজেদের কোনো হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে তারা দাবি করেছে যে এসব হামলা ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তির ধারাবাহিক লঙ্ঘন’। ছবি:  টাইমস অব ইসরায়েল

ইসরায়েল গত শনিবার বিকাল পর্যন্ত দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালনা করেছে। তাদের অভিযোগ, ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠী যুদ্ধবিরতির একদিন পরই ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলা চালিয়ে চুক্তি ভঙ্গ করেছে। লেবাননের গণমাধ্যম ও জরুরি সেবাকর্মীদের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছে। আইডিএফ জানায়, তারা রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একজন সামরিক কর্মকর্তা বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ আইডিএফকে লেবাননে ‘গুলি বন্ধ রাখার’ নির্দেশ দিয়েছেন। চ্যানেল ১২ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমন্বয়ের পর এই নির্দেশনা জারি করা হয়।

পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক বিবৃতিতে এক ‘জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা’ জানান, নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেছেন যে ইসরায়েল তার উত্তর সীমান্ত রক্ষার প্রয়োজন যতদিন থাকবে, ততদিন দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করবে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, নেতানিয়াহু আইডিএফকে নির্দেশ দিয়েছেন হিজবুল্লাহর যেকোনো হামলার জোরালো জবাব দিতে এবং আমাদের বাহিনীর বিরুদ্ধে থাকা হুমকিগুলো দূর করতে পদক্ষেপ নিতে। বিবৃতিতে বলা হয়, গত দুই দিনে হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে আইডিএফ ৩০০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং প্রায় ১০০ জনকে হত্যা করেছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেন, হিজবুল্লাহ যদি আবার আমাদের ওপর হামলা চালায়, তবে আমরা আরও কঠোরভাবে পাল্টা আঘাত হানব। আইডিএফ তাৎক্ষণিকভাবে হিজবুল্লাহর হামলায় নিজেদের কোনো হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে তারা দাবি করেছে যে এসব হামলা ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তির ধারাবাহিক লঙ্ঘন’। ছবি: টাইমস অব ইসরায়েল

ইসরায়েল গত শনিবার বিকাল পর্যন্ত দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালনা করেছে। তাদের অভিযোগ, ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠী যুদ্ধবিরতির একদিন পরই ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলা চালিয়ে চুক্তি ভঙ্গ করেছে। লেবাননের গণমাধ্যম ও জরুরি সেবাকর্মীদের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছে।

আইডিএফ জানায়, তারা রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একজন সামরিক কর্মকর্তা বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ আইডিএফকে লেবাননে ‘গুলি বন্ধ রাখার’ নির্দেশ দিয়েছেন।

চ্যানেল ১২ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমন্বয়ের পর এই নির্দেশনা জারি করা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক বিবৃতিতে এক ‘জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা’ জানান, নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেছেন যে ইসরায়েল তার উত্তর সীমান্ত রক্ষার প্রয়োজন যতদিন থাকবে, ততদিন দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করবে।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, নেতানিয়াহু আইডিএফকে নির্দেশ দিয়েছেন হিজবুল্লাহর যেকোনো হামলার জোরালো জবাব দিতে এবং আমাদের বাহিনীর বিরুদ্ধে থাকা হুমকিগুলো দূর করতে পদক্ষেপ নিতে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত দুই দিনে হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে আইডিএফ ৩০০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং প্রায় ১০০ জনকে হত্যা করেছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেন, হিজবুল্লাহ যদি আবার আমাদের ওপর হামলা চালায়, তবে আমরা আরও কঠোরভাবে পাল্টা আঘাত হানব।

আইডিএফ তাৎক্ষণিকভাবে হিজবুল্লাহর হামলায় নিজেদের কোনো হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে তারা দাবি করেছে যে এসব হামলা ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তির ধারাবাহিক লঙ্ঘন’।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম