ঢাকা ১০ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
চট্টগ্রামে শিশু ইরা মনি ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলার আসামি বাবু শেখের মৃত্যুদণ্ড চেকপোস্টের সামনেই ডাকাতি, ৩০ লাখ টাকার স্বর্ণ লুট: জাপান যাওয়া হলো না প্রবাসী দম্পতির মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কিশোরগঞ্জে থানা হাজতে আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হাম ও উপসর্গে মৃত্যু সাড়ে ৭ শ ছুঁইছুঁই পে-স্কেলের হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে সচিব কমিটি, আসছে বড় পরিবর্তন বাঁশখালীতে পানিবন্দি আট মাসের শিশুকে পাতিলে করে উদ্ধার দেশে যুক্ত হলো আরও ৩ নতুন উপজেলা, প্রজ্ঞাপন জারি বিশ্বের বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান বদলাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আফ্রিকায় ম্যালেরিয়া প্রাদুর্ভাবে ‘আক্রমণাত্মক' মশা

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৩ নভেম্বর, ২০২২,  10:26 AM

news image

আফ্রিকায় নতুনভাবে ছড়িয়ে পড়া ম্যালেরিয়া রোগের সাথে গবেষকেরা এক ধরনের মশার যোগসূত্র পেয়েছে যারা বেশ আক্রমণাত্মক৷ এই প্রজাতির মশা শহরাঞ্চলে বৃদ্ধি পায় এবং ম্যালেরিয়া রোগ সম্পূর্ণভাবে নির্মূলে ক্ষেত্রে বড় এক হুমকি৷ বিজ্ঞানীদের মতে, এ বছর ইথেওপিয়াতে ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাবের পেছনেও এই মশাই দায়ী৷ দেশটির ডায়ার দাওয়া শহরে হঠাৎ করে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়৷ ২০২২ সালের প্রথম ৫ মাসে যার সংখ্যা দাঁড়ায় দুই হাজার ৪০০, যা ২০১৯ সালে ছিল মাত্র ২০৫৷ একজন বিজ্ঞানী গবেষণা করে বের করেছেন যে, অ্যানোফিলিস স্টিফেনসি প্রজাতির মশা ম্যালেরিয়া ছড়াচ্ছে৷

এ ধরনের মশা সাধারণত ইন্ডিয়া ও ইরানে দেখা যায়৷  তবে ২০১২ সালে জিবুতিতে এর সন্ধান মেলে৷ পরবর্তীতে, প্রতিবেশী ইথেওপিয়া, সুদান, সোমালিয়া ও নাইজেরিয়াতেও এই প্রজাতির মশা প্লাওয়া যায়৷ এই প্রজাতির মশা কেন অনন্য? নেটিভ আফ্রিকান মশা সাধারণত গ্রামীণ পরিবেশ পছন্দ করে কিন্তু আক্রমণাত্মক অ্যানোফিলিস স্টিফেনসি দূষিত শহরগুলিতে ছড়ায়৷ এই প্রজাতির মশা বালতি এবং খোলা পানির ট্যাঙ্কেও বংশ বৃদ্ধি করতে পারে৷ এর মানে হল, এটি শুষ্ক মৌসুমে বেঁচে থাকতে পারে৷ আর যে কারনেই অ্যানোফিলিস স্টিফেনসি প্রজাতির মশা অনন্য৷  আফ্রিকান অন্য দেশগুলোও হুমকিতে গবেষকদের আশঙ্কা, এই মশা আফ্রিকান দেশগুলোর জন্যেও হুমকি তৈরি করেছে৷ ২০২০ সালে পৃথিবীতে ম্যালেরিয়া রোগে যত মানুষের মৃত্যু ঘটে তার ৯৫ শতাংশ ঘটেছে ঐ অঞ্চলে৷ ২০২০ সালে বিশ্বে ছয় লাখ ২৭ হাজার মানুষ এই রোগে মারা যায়৷ এটা খুবই আতঙ্কের, বলছিলেন একজন বিজ্ঞানী৷

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম