ঢাকা ২৫ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
লিটার প্রতি জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল ৯০ টাকা এবার মানুষ নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপন করতে পেরেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী জীবনের সেরা ঈদ ছিল এবার: ইসি আনোয়ার বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উত্তরণে বিএনপির ইশতেহার বাস্তবায়ন শুরু, বাজেটে প্রতিফলিত হবে: অর্থমন্ত্রী গণহত্যা দিবস পালন উপলক্ষে গৃহীত জাতীয় কর্মসূচি ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, রেল ও বাস টার্মিনালে ভিড় দাওরায়ে হাদিসের ফল প্রকাশ: পাসের হার প্রায় ৯০ শতাংশ শাওয়ালের ৬ রোজা রাখার নিয়ম ও ফজিলত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

আফ্রিকায় ম্যালেরিয়া প্রাদুর্ভাবে ‘আক্রমণাত্মক' মশা

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৩ নভেম্বর, ২০২২,  10:26 AM

news image

আফ্রিকায় নতুনভাবে ছড়িয়ে পড়া ম্যালেরিয়া রোগের সাথে গবেষকেরা এক ধরনের মশার যোগসূত্র পেয়েছে যারা বেশ আক্রমণাত্মক৷ এই প্রজাতির মশা শহরাঞ্চলে বৃদ্ধি পায় এবং ম্যালেরিয়া রোগ সম্পূর্ণভাবে নির্মূলে ক্ষেত্রে বড় এক হুমকি৷ বিজ্ঞানীদের মতে, এ বছর ইথেওপিয়াতে ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাবের পেছনেও এই মশাই দায়ী৷ দেশটির ডায়ার দাওয়া শহরে হঠাৎ করে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়৷ ২০২২ সালের প্রথম ৫ মাসে যার সংখ্যা দাঁড়ায় দুই হাজার ৪০০, যা ২০১৯ সালে ছিল মাত্র ২০৫৷ একজন বিজ্ঞানী গবেষণা করে বের করেছেন যে, অ্যানোফিলিস স্টিফেনসি প্রজাতির মশা ম্যালেরিয়া ছড়াচ্ছে৷

এ ধরনের মশা সাধারণত ইন্ডিয়া ও ইরানে দেখা যায়৷  তবে ২০১২ সালে জিবুতিতে এর সন্ধান মেলে৷ পরবর্তীতে, প্রতিবেশী ইথেওপিয়া, সুদান, সোমালিয়া ও নাইজেরিয়াতেও এই প্রজাতির মশা প্লাওয়া যায়৷ এই প্রজাতির মশা কেন অনন্য? নেটিভ আফ্রিকান মশা সাধারণত গ্রামীণ পরিবেশ পছন্দ করে কিন্তু আক্রমণাত্মক অ্যানোফিলিস স্টিফেনসি দূষিত শহরগুলিতে ছড়ায়৷ এই প্রজাতির মশা বালতি এবং খোলা পানির ট্যাঙ্কেও বংশ বৃদ্ধি করতে পারে৷ এর মানে হল, এটি শুষ্ক মৌসুমে বেঁচে থাকতে পারে৷ আর যে কারনেই অ্যানোফিলিস স্টিফেনসি প্রজাতির মশা অনন্য৷  আফ্রিকান অন্য দেশগুলোও হুমকিতে গবেষকদের আশঙ্কা, এই মশা আফ্রিকান দেশগুলোর জন্যেও হুমকি তৈরি করেছে৷ ২০২০ সালে পৃথিবীতে ম্যালেরিয়া রোগে যত মানুষের মৃত্যু ঘটে তার ৯৫ শতাংশ ঘটেছে ঐ অঞ্চলে৷ ২০২০ সালে বিশ্বে ছয় লাখ ২৭ হাজার মানুষ এই রোগে মারা যায়৷ এটা খুবই আতঙ্কের, বলছিলেন একজন বিজ্ঞানী৷

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম