ঢাকা ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
আশুলিয়ায় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি, ৫০ পুলিশ সদস্য আহত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ শেখ হাসিনার পক্ষে আপিল হয়নি, তার সম্পদ বাজেয়াপ্তে চিঠি দিচ্ছে রাষ্ট্রপক্ষ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে অবৈধ ক্লিনিক চালু করা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাভারে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ নওগাঁ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২০ বোতল ভারতীয় মদ আটক সাতক্ষীরায় স্কুল পর্যায়ে মাদক, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং রোধে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত পোশাক শ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতা: আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ৩৩ জন গ্রেফতার শেখ হাসিনা বেঁচে থাকতে সরকারকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না: তথ্য উপদেষ্টা রাস্তায় যারা এখন আন্দোলন করছে তাদের সঙ্গে শ্রমিকদের কোনো সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আজ ৭ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জ মুক্ত দিবস

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৭ ডিসেম্বর, ২০২১,  5:16 PM

news image

আজ ৭ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার মুক্ত হয় গোপালগঞ্জ। এদিন বিজয় উল্লাসে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মেতে উঠেছিল সাধারণ জনতা। দিবসটি পালন উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা ও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। গোপালগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় ২৭ মার্চ থেকেই।

৩০ এপ্রিল পর্যন্ত গোপালগঞ্জ মুক্তি বাহিনীর নিয়ন্ত্রনে ছিল। মুসলিম লীগ নেতাদের সহযোগিতায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ৩০ এপ্রিল শহরে প্রবেশ করে।  তারা প্রথমে শহরের ব্যাংক পাড়ায় বঙ্গবন্ধুর বাড়ি বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় পুড়িয়ে দেয়। এরপর পাকিস্তানি সৈন্যরা ১০/১২টি দলে বিভক্ত হয়ে শহরের হিন্দু অধ্যষিত স্বর্ণপট্রি, সাহাপাড়া, সিকদারপাড়া, চৌরঙ্গী এবং বাজার রোডে লুটপাট করে আগুন দিয়ে প্রায় এক হাজার ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়ে হত্যা আর নারী ধর্ষণ শুরু করে।  মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাক হানাদাররা উপজেলা পরিষদের মিনি ক্যান্টনমেন্টের মুক্তিকামী সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে হত্যা করে গণ-কবর দেয়। ৬ ডিসেম্বর সূর্য উঠার সাথে সাথে বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে বিভক্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধারা শহরে প্রবেশ করে। চারিদিক থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণ বলয় রচিত ও মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত লগ্নে মিত্রদেশ ভারত প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের সরকারকে স্বীকৃতি দেয়ায় এখানকার পাক হানাদার বাহিনীর মনোবল ভেঙে পড়ে। গভীর রাতে মুক্তিযোদ্ধারা আক্রমণ করবে এমন সংবাদ পেয়ে পাক সেনারা ৬ ডিসেম্বর গভীর রাতে গোপালগঞ্জ সদর থানা উপজেলা পরিষদ (বর্তমানে) সংলগ্ন জয় বাংলা পুকুর পাড়ের মিনি ক্যান্টমেন্ট ছেড়ে পালিযে যায়। মেজর সেলিমের অধীনে পাক হানাদার বাহিনীর একটি দল ঢাকায় যায়। অন্য একটি দল চলে যায় ভাটিয়াপাড়ার ওয়ারলেস ক্যাম্পে। ৭ ডিসেম্বর ভোরে স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা উত্তোলন করে মুক্তিযোদ্ধারা, আর সেই সাথে মুক্ত হয় গোপালগঞ্জ শহর ও এর আশপাশ এলাকা। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে জনতার বিজয় উল্লাস সেদিন সূর্যদয়ের মত আজ দাড়িয়ে বিস্তৃত করে দিক দিগন্ত।  এ দিনটি উপলক্ষে গোপালগঞ্জে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি। সকালে মুক্তিযোদ্ধারা ও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। এছাড়া বিকাল ৩টায় জেলা শহরের শেখ ফজলুল হক মনি স্টেডিয়ামে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম