ঢাকা ০৬ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরি কত নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পল্লী উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : মির্জা ফখরুল ‘ডিসেম্বরে পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের নতুন বই দিতে চায় সরকার’ এনআইডির জরুরি সেবা বন্ধ নিয়ে ইসির নতুন আদেশ শনিবারের মধ্যে সব ক্লিনিকে লেবার রুম স্থাপন না করলে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩ হাজার ৩৪২ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ অধ্যাপক ফজলুল হকের কাজ-স্মৃতি সংরক্ষণে সব করা হবে: সংস্কৃতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র দাবদাহে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু

অধ্যাপক ফজলুল হকের কাজ-স্মৃতি সংরক্ষণে সব করা হবে: সংস্কৃতিমন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৬ জুলাই, ২০২৬,  11:26 AM

news image

লেখক ও গবেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের অসমাপ্ত কাজ ও স্মৃতি ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় সব কিছুই করা হবে বলে জানিয়েছেন  সোমবার (৬ জুলাই) সকালে বাংলা একাডেমিতে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মরদেহে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে এসে তিনি এ কথা বলেন। অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের চলে যাওয়াকে অপূরণীয় ক্ষতি উল্লেখ করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, দেশকে ভালোবেসে বহু কাজ করে গেছেন তিনি। শিক্ষা ও সংস্কৃতি খাতে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন এই বুদ্ধিজীবী। নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের অসমাপ্ত কাজ ও স্মৃতি ধরে রাখতে যা যা করণীয় তা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় করবে। তার দাফন হবে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে। এর আগে সকাল ১০টায় বাংলা একাডেমির সভাপতি বিশিষ্ট চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ ও লেখক আবুল কাসেমের মরদেহ আনা হয় বাংলা একাডেমিতে। এখানেই অনুষ্ঠিত হয় তার ২য় নামাজে জানাজা। এরপর বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, বেলা ১২টায় অপরাজেয় বাংলা এবং বাদ যোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের শেষ জানাজা শেষে মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে তাকে। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। ১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (সম্মান) ও ১৯৬৬ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন তিনি। এরপর দীর্ঘদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন। পরবর্তীকালে বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। সব স্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। গুণী এই অধ্যাপকের ‘সুন্দরম’ ও ‘লোকায়ত’ নামে দুটি সাময়িকপত্রের সম্পাদনা ছাড়াও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বই রয়েছে। ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলন’, ‘সাহিত্য চিন্তা’, ‘রাজনীতি দর্শন’, ‘সংস্কৃতির সহজ কথা’র মতো তার লেখা অন্তত ২০টির বেশি বই প্রকাশ হয়েছে। এছাড়াও সম্পাদনায় প্রকাশ হয়েছে ‘ইতিহাসের আলোকে বাংলাদেশের সংস্কৃতি’, ‘স্বদেশচিন্তা’র মতো একাধিক গ্রন্থও। এ ছাড়াও, অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম