ঢাকা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
মিরপুরের উচ্ছেদ অভিযানে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হকার উচ্ছেদ ঘিরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, সিটি কর্পোরেশনের গাড়িতে আগুন চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতার দূরত্ব কমাতে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালু করছে সরকার নভেম্বর থেকে বাংলা কিউআরে ব্যক্তিপর্যায়ে টাকা পাঠানো যাবে; কমছে খরচ, মিলবে প্রণোদনা সরকারের উদ্যোগে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু ব্রাজিলের গরুর মাংসে ৫৫ শতাংশ শুল্ক বসাচ্ছে চীন আইএলটি-টোয়েন্টির নিলামে ১০ বাংলাদেশি আজকের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড় ট্রাম্প প্রশাসন পরিবর্তনে মার্কিন ভোটারদের খোলা চিঠি আইআরজিসির জ্বালানির দামের লাগাম টানতে হিমশিম খাচ্ছে মার্কিন অঙ্গরাজ্যগুলো

'প্রক্সি' দিয়ে দশম স্থান, ভর্তি হতে এসে ধরা

#

০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  5:08 PM

news image



জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ভর্তি হতে এসে প্রক্সি জালিয়াতির ঘটনায় এক পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে ভর্তি হতে এসে আটক হন শিক্ষার্থী মিনহাজুল।  বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রক্সির বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি। তার পরিবর্তে সমাজবিজ্ঞান ও আইন অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটে প্রক্সি দেয় ভর্তি জালিয়াতি চক্রের এক সদস্য। আটককৃত শিক্ষার্থী মিনহাজুল আবেদীন আল-আমীনের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায়। মিনহাজুল ফুলবাড়িয়ার আল-হেরা একাডেমি থেকে এসএসসি ও ময়মনসিংহ সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। মিনহাজুল বলেন, ‘বি’ ইউনিটে তার পরিবর্তন অন্যজন ভর্তি পরীক্ষা দেয়।

মেধাক্রমে তার সিরিয়াল আসে ১০। তার পরিবর্তে কে পরীক্ষা দিয়েছে এবং কত টাকার বিনিময়ে প্রক্সি দেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে জানেন না মিনহাজুল। তবে ভর্তি পরীক্ষার সাক্ষাৎকার সে নিজে দিয়েছে বলে জানান মিনহাজুল। নিরাপত্তা শাখার প্রধান সুদীপ্ত শাহিন মুঠোফোনে মিনহাজুলের বাবা আব্দুল লতিফের সাথে কথা বললে তিন লাখ টাকায় প্রক্সির বিষয়ে চুক্তি হয় বলে জানান তিনি। আব্দুল লতিফ বলেন, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া কলেজে পড়ুয়া মিনহাজুলের মামা শাহিনুর প্রক্সির ব্যবস্থা করেন। এ বাবদ তার মাধ্যমে তিন লাখ টাকা দেওয়া হয়। এবিষয়ে আইন অনুষদের ডিন তাপস কুমার দাস বলেন, “আজ মিনহাজুল ভর্তি হতে আসলে ওএমআর’র সাথে তার হাতের লেখার গড়মিল পাওয়া যায়। তাকে তিনবার সুযোগ দেয়া হলেও গড়মিল পরিলক্ষিত হয়। পরে তাকে নিরাপত্তা শাখায় পাঠানো হয়।” প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহিন বলেন, “ডিন অফিসে আটক করার পর মিনহাজুলকে নিরাপত্তা শাখায় নেয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সে ও তার বাবা ভর্তি জালিয়াতির কথা স্বীকার করেন। এছাড়া তার মোবাইল ফোনে জালিয়াতির আলামতও পাওয়া যায়। হোয়াটসঅ্যাপে তাদের সাথে তার একাধিকবার কথা হয়।” পরে তাকে আশুলিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম