ঢাকা ২৮ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারাল আরও ৫ শিশু নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে ২৮৯ দেশ ও জাতির কল্যাণে নিরপেক্ষভাবে কাজ করবো: রাষ্ট্রপতি বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ ও নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিরোধী দলের সহযোগিতা চাইলেন চিফ হুইপ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সাপের হানা মুগ্ধ-সিদ্ধার্থই হত্যাকারী, ছাদে হত্যা করা হয় তিনজনকে: পুলিশ এক ট্রলারে ৮০ মণ ইলিশ, বিক্রি হলো ২০ লাখ টাকায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে চীনের সহযোগিতা বাড়বে: এলজিআরডি মন্ত্রী ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস

‘জয় শ্রী রাম’ না বলায় এবার ভারতে ইমামকে মারধর

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  4:12 PM

news image

প্রায়ই মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর কট্টরপন্থী হিন্দুত্ববাদীদের নিপীড়নের খবর শোনা যায় ভারতে। এবার ‘জয় শ্রী রাম’ না বলার একজন ইমামকেই শিকার হতে হয়েছে এমন আক্রমণের। ভারতের উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে ঘটেছে এ ঘটনা। মুস্তাকিম নামে ভুক্তভোগী ওই ইমামের অভিযোগ, জোর করে তাকে ধর্মীয় স্লোগান দিতে চাপ দেওয়া হয়েছিল। তবে, পুলিশ দাবি করছে, ঘটনাটি সাম্প্রদায়িক নয়; সাধারণ মারধরের।  রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিয়াসাত ডেইলি। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, উত্তরপ্রদেশের আলিগড় জেলার লোধা ব্লকের বুলাকঘারি গ্রামের এক স্থানীয় ইমামকে গত ২০ সেপ্টেম্বর নৃশংসভাবে মারধর করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, হামলাকারীরা তাকে জোর করে ‘জয় শ্রী রাম’ বলতে বাধ্য করার চেষ্টা করে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, ইমাম মুস্তাকিমকে দাড়ি ও টুপি পরার কারণে টার্গেট করা হয়। সে সময় তিনি সাইকেলে ছিলেন। এর আগে কিছু বাচ্চা এবং জিশান নামে এক ব্যক্তির মধ্যে ঝগড়ার জেরে ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে এবং আহত দুই পক্ষকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে আলিগড় শহরের পুলিশ সুপার মৃগাঙ্ক শেখর পাঠক বলেন, তদন্তে দেখা গেছে, এটি সাধারণ মারধরের ঘটনা। এর সঙ্গে কোনো ধর্মীয় বিষয় জড়িত নয় এবং কাউকে জোর করে ধর্মীয় স্লোগান দিতেও বাধ্য করা হয়নি। তবে ভুক্তভোগী ইমাম অভিযোগ করেছেন, তাকে সরাসরি ধর্মীয় স্লোগান দিতে চাপ দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, কয়েকদিন ধরে কিছু ছেলে আমাকে বিরক্ত করছিল। ওইদিন তারা আমার সাইকেল থামিয়ে ‘জয় শ্রী রাম’ বলতে বলে। আমি রাজি না হলে লাঠি দিয়ে প্রায় আধঘণ্টা থেকে দুই ঘণ্টা ধরে আমাকে পেটায়। উঠতে দেয়নি, বরং বলেছিল, ‘এখানেই কবর দিয়ে দাও’।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম