ঢাকা ২৫ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাতক্ষীরায় রাফাতের মৃত্যুর ঘটনার দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন সাভারে ভার্কের উদ্যোগে চাকরি মেলা ও শিক্ষানবিশ সমাবেশে চাকুরী প্রার্থীদের ভীড় রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ১৩৭ কোটি টাকার সহায়তা চুক্তি স্বাক্ষর জুনের ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২২৪ কোটি ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু জামায়াতপন্থি ডিএজি-এএজিদের পদত্যাগ রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে ব্রাজিলের সামনে যে সমীকরণ হত্যাচেষ্টা মামলায় কণ্ঠশিল্পী মমতাজ গ্রেপ্তার

৫০ ফুট পানির নিচে শনাক্ত রজনীগন্ধা, উদ্ধারের চেষ্টা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ জানুয়ারি, ২০২৪,  3:50 PM

news image

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ায় পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া ফেরি রজনীগন্ধা প্রায় ৫০ ফুট পানির নিচে শনাক্ত করেছে ডুবুরি দল।রশি বেঁধে সেটিকে টেনে তোলার চেষ্টা করছে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়। আরিচা অফিসের বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম শাহ খালেদ নেওয়াজ এ তথ্য জানিয়েছেন। আজ শনিবার সকাল ৮টা থেকে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় রজনীগন্ধা ফেরিটি উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করে। তবে এখনো ছয়টি পণ্যবাহী ট্রাক ও ফেরির সহকারী ইঞ্জিন মাস্টার হুমায়ূন কবীরকে উদ্ধার করা যায়নি। আরিচা অফিসের বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম শাহ খালেদ নেওয়াজ বলেন, ‘শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে প্রত্যয়। ডুবুরি দল নদীতে ডুবে থাকা ফেরিটি শনাক্ত করেছেন। আমরা দ্রুত ফেরি ও ট্রাকগুলো উদ্ধারের চেষ্টা করছি।’ এখনো ছয়টি পণ্যবাহী ট্রাক ও রজনীগন্ধা ফেরির সহকারী মাস্টার হুমায়ূন কবীরকে উদ্ধার করা যায়নি বলেও জানান এই কর্মকর্তা। শাহ খালেদ নেওয়াজ আরও বলেন, এর আগে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও রুস্তমের ধারণক্ষমতার চেয়ে ফেরির ওজন বেশি হওয়ায় ফেরিটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য, গত বুধবার সকাল সোয়া আটটার দিকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটের পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ফেরি ঘাট থেকে ২০০ মিটার অদূরে পদ্মায় ৯টি যানবাহন নিয়ে ডুবে যায় ঘন কুয়াশায় নোঙর করে রাখা ফেরি রজনীগন্ধা। এ ঘটনায় ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। হুমায়ূন কবীর নামে ফেরিটির সহকারী ইঞ্জিন মাস্টার এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিআইডব্লিউটির উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও রুস্তম একটি কাভার্ডভ্যান ও দুই পণ্যবাহী ট্রাক উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে।  

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম