ঢাকা ১৭ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
একদিনে ডেঙ্গুতে ৩ জনের প্রাণহানি দুই কোটি হালালে তৎপর ডিডি, চেয়ারম্যান রহস্যজনক নিরবতায় বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের সমাধান ১ বছরেও সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ চায় ঢাকা: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মাছচাষিদের কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে চমকপ্রদ তথ্য ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর ভিডিও কলে টাইগারদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ২০২৭ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ সম্পর্কে যা জানা গেল

১৪ বছর পর সেকেন্দার হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ নভেম্বর, ২০২৩,  2:39 PM

news image

দীর্ঘ ১৪ বছর পর পাবনা ঈশ্বরদী উপজেলায় জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সেকেন্দার শাহ হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন পাবনার বিশেষ জজ আদালত। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৮ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২০ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাবনার বিশেষ জজ আদালতের (জেলা জজ) বিচারক আহসান তারেক এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ঈশ্বরদী উপজেলার বাবুলচারা গ্রামের ইউসুফ আলী শাহের ছেলে জিয়া শাহ ও মজিবর শাহ, মৃত গেদু শাহের ছেলে শাহজাহান শাহ, মৃত তফু শাহের ছেলে আতু শাহ, পরশ উল্লা শাহের ছেলে সেন্টু শাহ ও মৃত গফুর শাহের ছেলে ইয়ারুল শাহ। আসামিরা সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর কৃষি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বাবুলচারা গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান শাহের ছেলে সিকেন্দার শাহকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেন অভিযুক্ত আসামিরা। এ ঘটনায় নিহতের ভাই জিন্নাত শাহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে পরদিন ৩০ সেপ্টেম্বর একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দুই আসামি মৃত্যু হওয়ায় ২০১১ সালের ৪ জানুয়ারি ১৪ জনের নামে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ‌। এরপর দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ রায় ঘোষণা করেন আদালত। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি করেন বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট দেওয়ান মজনুল হক এবং আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট কাজী সাইদুর রহমান। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামিরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন দাবি করে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম