ঢাকা ১৩ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
পার্বত্য চট্টগ্রামে ষড়যন্ত্র: সার্বভৌমত্বের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ ছেলে-মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাওরে ফেলে হত্যা করলেন বাবা পলিসি ক্যাম্প ২০২৬-এ বরগুনার তরুণ মোঃ সোহানুর রহমান সৈকত ফাইনালিস্ট হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ মৃত্যু সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে ভারত থেকে দেশে আসছে ১৯টি নতুন রেলবগি হালাল অর্থনীতি হতে পারে নতুন সম্ভাবনার বড় ক্ষেত্র: বাণিজ্যমন্ত্রী সাভারে ফের বোমাসদৃশ প্রেসারকুকার উদ্ধার, ঘটনাস্থলে ডিসপোজাল ইউনিট আ. লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব: তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ ভ্রমণে উচ্চমাত্রার সতর্কতা কানাডার

হার না মানা মো: শফিকুল ইসলাম এর জীবন জয়ের গল্প

#

১৮ মে, ২০২৬,  5:12 PM

news image

মো: শফিকুল ইসলাম বয়স ৫০ বছর, দুই মেয়ে বয়স ১৬ বছর ও ২ বছর, এক ছেলে বয়স ২২ মা, বাড়ি ব্রাম্মনবাড়িয়া, ২০০০ সালে জগন্নাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করে চাকুরী করতেন| সংসারের অবস্থা মোটামুটি ¯^চ্ছল ছিল| দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার, তারিখ ছিল ২৩ ডিসে¤^র, ২০২৫, মোটরসাইকেল এর পিছন থেকে হঠাৎ একটি ট্রাক এসে ধাক্কা দেয়, স্থানটি ছিল ঢাকা সেনানিবাসের জাহাঙ্গীর গেট| মূহুর্তেই রাস্তায় লুটিয়ে পড়ি, পথচারীরা স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে, ততক্ষণে তছনছ হয়ে যায় শফিকুলের ¯^প্ন| হাসপাতালে নিতেই ডাক্তার তাঁর বাম পায়ে মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে মর্মে উল্লেখ করেন এবং বাম পা কোমরের নীচ থেকে কেটে ফেলার পরামর্শ দেন| জীবন বাচাঁতে একটি পা কাটতে হবে, ততক্ষণেও শফিকের জ্ঞান ফিরেনি, তার পরিবারের সদস্যরাই সকলে মিলে ডাক্তার এর পরামর্শে রাজি হয় এবং বাম পা কাটতে হয়| শফিক জ্ঞান ফিরে দেখে তার বাম পায়ে ব্যান্ডেজ করা এবং শরীর থেকে পা বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে| নিজের অবস্থা দেখা মাত্রই শফিক আবারও জ্ঞান হারিয়ে ফেলে| একসময় জ্ঞান ফিরলে পরিবারের সকলে তাঁর সাথে বিষয়টি আলোচনা করে এবং এর কোন বিকল্প ছিলনা মর্মে উল্লেখ করে| শফিক যেখানে চাকুরী করত তার কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে সংবাদ পেয়ে গেছে যে, শফিক সড়ক দূর্ঘটনায় একটি পা হারিয়েছে| যখন শফিক ক্র্যাচ এ ভর দিয়ে তার কর্মক্ষেত্রে যায় তখন তাঁর কর্তৃপক্ষ তাঁকে চাকুরী নাই কথাটি শোনায়| সাথে সাথে শফিকের মাথায় বজ্রপাত| কোন দিশা না পেয়ে বাড়ি ফিরে আসে এবং পরিবারের লোকজনদের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে| তেমন জমানো টাকা শফিকের ছিল না | যেটুকু ছিল সেটাও চিকিৎসা করতে গিয়ে শেষ হয়ে গেছে| আত্মীয়-¯^জন, বন্ধু-বান্ধব যারা ছিল কেহ শফিকের সাথে কথা বলে না, কারণ যদি টাকা চাই? এমন সময় সে জড়ঃধৎু ঈষঁন ড়ভ গড়ঃরলযববষ এর একজন সদস্যের স্মরনাপন্ন হয় এবং তাঁর চিকিৎসাসহ কৃত্রিম পা সংযোজনের আবেদন করে| শফিকের ইচ্ছা সে যদি কৃত্রিম পা সংযোজন করতে পারে তবে, সে ¯^াভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে| রোটারী ক্লাব অব মতিঝিল এর সদস্যরা শফিকের আবেদনে সাড়া দেয় এবং তাঁর ইচ্ছা পূরণে কৃত্রিম পা সংযোজনের জন্য আর্থিক সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে| শফিকের বাম পায়ের কৃত্রিম পা সংযোজন হয়েছে, সে একন ধীরে ধীরে হাঁটতে পারে, আরো কিছুদিন গেলে সে ভালভাবে হাঁটতে পারবে এবং ¯^াভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে, এটাই তাঁর প্রত্যাশা| আমরা শফিকের প্রত্যাশার সাথে সহমত ব্যক্ত করছি এবং তাঁর ¯^াভাবিক জীবনে ফেরার জন্য মহান সৃস্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করছি| মতিঝিল ক্লাবের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মো: এনামুল হক শফিকের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন|


logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম