ঢাকা ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
কমলো এলপি গ্যাসের দাম নতুন আইজিপি আলী হোসেন ফকির সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর ১০ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে প্রবাসীদের মরদেহ বিনা খরচে দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: মা-ছেলের পর চলে গেলেন চাচাও বান্দরবানে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৬ শিক্ষার্থী-কর্মচারীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন ৯ এপ্রিল ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রির তারিখ ঘোষণা যোগ দিলেন দেশের ৬ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক

সামনে কোরবানির ঈদ, ব্যস্ততা বেড়েছে কামারপাড়ায়

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২১ জুন, ২০২২,  10:55 AM

news image

কোরবানির ঈদ এলেই টুং টাং শব্দে মুখরিত হয়ে ওঠে দেশের বিভিন্ন জেলার কামার পাড়াগুলো। বেড়ে যায় কারিগরদের ব্যস্ততা। হাতুড়ি পেটা শব্দে মুখর নাটোরের সিংড়া পৌরসভা ও বিভিন্ন বাজারের কামারপাড়া।  সারাদিন তপ্ত ইস্পাত গলিয়ে চলছে পশু জবাই ও মাংস কাটার জন্য ছুরি, চাপাতি, দা, বঁটিসহ নানাবিধ সরঞ্জাম তৈরির কাজ। দম ফেলারও সময় নেই কামারদের। নাওয়া-খাওয়া ভুলে কাজ করছেন তারা। কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছেন। কামারপাড়ায় এখন গেলেই শোনা যায় হাতুড়ি পেটানোর শব্দ। কেউ ভারি হাতুড়ি দিয়ে পেটাচ্ছেন আগুনরঙা লোহার খণ্ড। কেউ পুরনো দা-ছুরিতে শাণ দিচ্ছেন। কেউবা হাপর টানছেন। কেউ আবার কয়লার আগুনে বাতাস দিচ্ছেন। সিংড়া বাজারের বিভিন্ন কামারের দোকান ঘুরে দেখা যায় দা, ছুরি, চাকু ও বঁটির বেচাকেনা বেড়েছে। দামও সন্তোষজনক। তবে কামারপাড়ার কারিগররা অভিযোগ করেন, তাদের পরিশ্রমের তুলনায় মজুরি অনেক কম। সারাদিন আগুনের পাশে বসে থাকতে হয়। ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা শরীরে তৈরি হয়। তবে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে সিংড়ায় কমে যাচ্ছে কামার সম্প্রদায়। বাধ্য হয়ে পৈত্রিক পেশা পরিবর্তন করছেন অনেকে। সিংড়া উপজেলার কামাররা বলেন, সারা বছর আমাদের মোটামুটি বিক্রি হয়। তবে কোরবানির সময় বিক্রি হয় সবচেয়ে বেশি। উৎপাদন ও প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় লাভ আগের চেয়ে কম। উপজেলার চৌগ্রাম ইউনিয়নের বড়িয়া গ্রামের কামার দীলিপ ও মিলন জানান, কোরবানি ঈদে তারা প্রতিবছর বিভিন্ন ধরনের উপকরণ তৈরি করেন। বর্তমানে লোহা ও কয়লার দাম অনেক বেড়েছে। সে তুলনায় কামার শিল্পের উৎপাদিত পণ্যের দাম বাড়েনি। এছাড়া আধুনিকতার ছোঁয়ায় এসব পণ্য তৈরির বেশকিছু প্রযুক্তি নির্ভর হওয়ায় কামার সম্প্রদায় আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়ছে। তাদের প্রত্যাশা সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ শিল্প আবারও ঘুরে দাঁড়াবে। সিংড়া পৌরসভার গার্লস স্কুলের সামনের রাম ও লক্ষণ নামের দুজন কামার বলেন, সারাবছর বেচাকেনা কিছুটা কম থাকে। কোনোরকম দিন যায়। এই সময়ের জন্য সারা বছর অপেক্ষায় থাকি। কোরবানির ঈদের আগে বেচাকেনা ভালো হয়। কয়েকজন ক্রেতা জানান, কুরবানি ঈদের বেশ কিছুদিন বাকি তাই আগেই পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম কেনার কাজটি সেরে ফেলছেন। তবে অন্য বছরের চেয়ে এবার ছুরি, চাকু, বঁটির দাম একটু বেশি বলে জানান তারা। সূত্র: চ্যানেল২৪.কম

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম