ঢাকা ১২ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ছেলে-মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাওরে ফেলে হত্যা করলেন বাবা পলিসি ক্যাম্প ২০২৬-এ বরগুনার তরুণ মোঃ সোহানুর রহমান সৈকত ফাইনালিস্ট হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ মৃত্যু সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে ভারত থেকে দেশে আসছে ১৯টি নতুন রেলবগি হালাল অর্থনীতি হতে পারে নতুন সম্ভাবনার বড় ক্ষেত্র: বাণিজ্যমন্ত্রী সাভারে ফের বোমাসদৃশ প্রেসারকুকার উদ্ধার, ঘটনাস্থলে ডিসপোজাল ইউনিট আ. লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব: তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ ভ্রমণে উচ্চমাত্রার সতর্কতা কানাডার সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন নামঞ্জুর

সাগর-রুনি হত্যা: ১২৭ বারের মতো পেছালো তদন্ত প্রতিবেদন

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৮ জুন, ২০২৬,  2:20 PM

news image

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে ২২ জুলাই ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে ১২৭ বার পেছানো হলো তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন।

আজ বৃহস্পতিবার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) আদালতে প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজাবাজারে নিজেদের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন রুনি। ঘটনার পর রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

হত্যার পর প্রথমে মামলার তদন্ত করে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ। পরে তা হস্তান্তর করা হয় ডিবি পুলিশের কাছে, এরপর ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় র‌্যাব। 

পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে র‌্যাবের কাছ থেকে তদন্তের দায়িত্ব সরিয়ে পিবিআইকে দেওয়া হয় এবং একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।মামলাটির ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো চূড়ান্ত কোনো তদন্ত প্রতিবেদন আসেনি।

এ ঘটনায় আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যাদের মধ্যে তানভীর রহমান ও পলাশ জামিনে রয়েছেন। বাকিরা এখনো কারাগারে।হত্যাকাণ্ডের আট মাস পর তখনকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনের রহস্য উন্মোচন করা হবে। 

কিন্তু এক যুগ পরও সেই রহস্যের সমাধান হয়নি। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত জিনিসপত্র যুক্তরাষ্ট্রে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হলেও, এখনও সেই রিপোর্ট ও প্রকাশ করা হয়নি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম