ঢাকা ০৫ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গর্ভনর নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট ইবি শিক্ষিকা নিহতের ঘটনায় ৪ জনকে আসামি করে মামলা ঈদের ছুটি বাড়ল সচিবালয়ে নিজ কক্ষের অর্ধেক লাইট ও এসি কমিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ সভা অনুষ্ঠিত ছয় দিনে ঢাকা থেকে বাতিল ২১০ ফ্লাইট বিভিন্ন স্লোগানে মহিলা বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নিলো বিআরটিসি আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল তেহরান ছাড়ছে মানুষ, ১০০০ ছাড়াল নিহতের সংখ্যা

সপ্তম দিনের মতো আন্দোলনে নিয়োগ বাতিল হওয়া শিক্ষকরা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫,  1:21 PM

news image

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষক পদের চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও হাইকোর্টের রায়ে নিয়োগ বাতিল হয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে টানা আন্দোলন চলছে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের। নিয়োগ পুনর্বহালের দাবিতে সপ্তম দিনের মতো আন্দোলন করছেন তারা। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনের সড়কে সকাল থেকে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন আন্দোলনকারী শিক্ষকরা। গত বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগ বাতিল করেন হাইকোর্ট। মেধার ভিত্তিতে পুনরায় নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। অথচ একই নিয়োগের প্রথম দুই ধাপের সুপারিশপ্রাপ্তরা কর্মস্থলে যোগদান করে চাকরি করে যাচ্ছেন। আন্দোলনকারী শিক্ষকরা বলছেন, আমাদের নিয়োগ বাতিল করে যে রায় দেওয়া হয়েছে, সেটি বৈষম্যমূলক। এ সরকারই আমাদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে। আবার আমাদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। এটি আমাদের সঙ্গে প্রতারণা। আমরা চাই, দ্রুত যেন এ রায় বাতিল করে আমাদের নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়।  তারা জানান, আদালতের রায়ের বিপরীতে আপিল করা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসহ তিন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের পরও হাইকোর্টের রায়ে বৈষম্যের শিকার হয়েছেন ৬ হাজার ৫৩১ শিক্ষক। তাই, যোগদান নিশ্চিত করার এক দফা দাবিতে এ আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার থেকে শাহবাগ ছাড়াও প্রেসক্লাব ও শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন নিয়োগ প্রত্যাশী শিক্ষকরা।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম