ঢাকা ০৭ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বড়াল প্রেসক্লাব বড়াইগ্রাম নাটোর এর উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল আরও ৭ জেলায় ‘ই-বেইলবন্ড’ চালুর উদ্যোগ বিএনপির সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার শেষ দিনের কর্মসূচি শুরু কাল থেকে নতুন পদ্ধতিতে তেল বিক্রি ঈদের ছুটিতে ৪ জেলায় যাবে জাকসুর বিশেষ বাস ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া সংকটের গুজবে তেলের পাম্পে দীর্ঘ ভিড় রোজায় পানির গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস আজ নরসিংদীর শিবপুরের অবৈধভাবে মাটি খনন করার অপরাধে দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা

সংকটের গুজবে তেলের পাম্পে দীর্ঘ ভিড়

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৭ মার্চ, ২০২৬,  11:01 AM

news image

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনে বিশ্ববাজারে তেলের সংকট তৈরির শঙ্কায় গুজব ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশে। জ¦ালানি তেল কেনার প্রতিযোগিতায় গতকাল পেট্রলপাম্পে ভিড় জমে যায়। গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। আগে নেওয়ার প্রতিযোগিতায় হুড়োহুড়ি ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। তবে তেলের মজুদ নিয়ে কোনো ধরনের গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে সরকার।

আগাম সতর্কতা হিসেবে স্পট মার্কেট থেকে উচ্চ দামে এলএনজি কেনা হয়েছে। তবে দেশে সংকট না থাকলেও জ¦ালানি তেল কেনার সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এ পরিস্থিতিতে জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে রাজধানীর কয়েকটি পেট্রলপাম্প পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

গতকাল রাজধানীর একটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে মন্ত্রী সরাসরি গ্রাহক এবং পাম্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি পাম্প কর্তৃপক্ষকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে নির্ধারিত সীমা মেনে চলার নির্দেশ দেন। পাম্প মালিকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, একবারে সব তেল দিয়ে দিলে পাম্প দ্রুত খালি হয়ে যাবে। বিশ্বে যুদ্ধ চলছে, এর প্রভাব আমাদের ওপরও পড়ছে। তেল সাশ্রয় না করলে ভবিষ্যতে পাম্প বন্ধ করে বসে থাকতে হবে।

গ্রাহকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, অস্থির হবেন না। তেল মজুদ আছে, তবে তা পরিমিতভাবে ব্যবহার করতে হবে। পাম্প সচল রাখা এবং সবাই যাতে জ্বালানি পান এ জন্য বিক্রির সীমা নির্ধারণ বা রেশনিং করা হয়েছে।

অনেকেই আগাম সংকটের আশঙ্কায় ট্যাঙ্ক পূর্ণ করে তেল নিচ্ছেন। অতিরিক্ত চাহিদার কারণে কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে তেল বিক্রি বন্ধ রাখার ঘটনাও ঘটেছে। তবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের আমদানি কার্যক্রম নিয়মিত চলছে এবং পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তাই গুজবে কান না দিয়ে অযথা জ্বালানি মজুদ না করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিপিসি সূত্র জানিয়েছে, গত পাঁচ দিনে দেশে প্রায় এক লাখ টনের বেশি ডিজেল বিক্রি হয়েছে, যেখানে গত বছর একই সময়ে বিক্রি হয়েছিল প্রায় ৫৫ হাজার টন। বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লাখ ৮১ হাজার টন ডিজেল মজুদ রয়েছে। তবে আগামী সপ্তাহে আরও কয়েকটি তেলবাহী জাহাজ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সাময়িকভাবে প্রায় ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গতকাল দুপুরে রাজধানীর আসাদগেট এলাকার মেসার্স তালুকদার পেট্রলপাম্পে গিয়ে দেখা যায়, গাড়ির দীর্ঘ সারি। একটির পিছনে আরেকটি গাড়ি গিয়ে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার ও মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা দীর্ঘ অপেক্ষা করে তেল সংগ্রহ করছেন। লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে কয়েকজন মোটরসাইকেল চালককে তর্কবিতর্ক করতে দেখা যায়। কে কার আগে যাবেন এ নিয়ে কেউ কেউ হাতিহাতি করেন।

উবার চালক নাজমুল হাসান জানান, তিনি গণভবনের সামনে থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রায় ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করার পর তেল নিতে পেরেছেন। তিনি বলেন, এ সময়ের মধ্যে দুই-তিনটি ভাড়া পাওয়া যেত। প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার তেল লাগে। তাদের অনুরোধ করার পরও ৬০০ টাকার তেল দিল না। কর্র্তৃপক্ষ নাকি বলে দিয়েছে ৫০০ টাকার ওপরে তেল না দিতে। অন্যদের অল্প হলেও চলে, কিন্তু আমাদের এই তেল ছাড়া চলবে না।

তবে ভিন্নচিত্র লক্ষ্য করা যায় বাংলামোটর মোড়ের বিনিময় ফিলিং স্টেশনে। মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা এবং প্রাইভেট কারে ৫০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। তেল দেওয়ার আগে স্টেশনের কর্মচারী মো. শাহেদ উদ্দিন ক্রেতাদের এ সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে দিচ্ছিলেন।

মতিঝিলের শাপলা চত্বরের পাশে করিম অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশনেও মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। স্টেশনের কোষাধ্যক্ষ মো. সোহাগ বলেন, সাধারণত ছুটির দিনেও এত দীর্ঘ লাইন থাকে না। তিনি জানান, ডিপো থেকে আগের তুলনায় কম তেল আসছে এবং যেসব ক্রেতা আগে ২০০ থেকে ৪০০ টাকার তেল নিতেন, তারা এখন ফুল ট্যাংক তেল নিচ্ছেন।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ এবং বিপিসি ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি বিক্রির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করেছে। নির্দেশনা অনুযায়ী মোটরসাইকেল সর্বোচ্চ দুই লিটার এবং প্রাইভেট কার সর্বোচ্চ ১০ লিটার অকটেন বা পেট্রল নিতে পারবে। প্রাইভেট কার, জিপ ও মাইক্রোবাসের ক্ষেত্রে প্রতি ট্রিপে ২০ থেকে ২৫ লিটার পর্যন্ত অকটেন বা পেট্রল নেওয়ার সুযোগ থাকবে। এ ছাড়া মিনিবাস ও লোকাল বাস ৭০ থেকে ৮০ লিটার পর্যন্ত ডিজেল নিতে পারবে। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকে প্রতি ট্রিপে ১০০ থেকে ১২০ লিটার পর্যন্ত ডিজেল সরবরাহ করা যাবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশে ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে আমদানি ব্যবস্থাপনা কখনও কখনও বাধাগ্রস্ত বা বিলম্বিত হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুদ পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রচার হওয়ায় ভোক্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

তবে পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নেই এবং পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। গুজবে কান না দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি নেওয়ার জন্য গ্রাহকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

গতকাল পরীবাগের পেট্রলপাম্প পরিদর্শন শেষে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, আমি আশ্বস্ত করতে চাই, জ্বালানি তেল নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমাদের কাছে যথেষ্ট মজুদ রয়েছে।

স্পট মার্কেট থেকে চড়া দামে এলএনজি : মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়ায় বাংলাদেশকে স্পট মার্কেট থেকে বেশি দামে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনতে হচ্ছে। বর্তমান রমজান ও সেচ মৌসুমে গ্যাসের বড় সংকট এড়াতে সরকার স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই দুই কার্গো কিনতে সরকারের প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে, যেখানে এক মাস আগেও একই পরিমাণ এলএনজি কেনা হয়েছিল প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকায়।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় চার হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। গতকাল এলএনজিসহ মোট গ্যাস সরবরাহ হয়েছে মাত্র দুই হাজার ৫৭৫ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ৮৬৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হয়েছে এলএনজির মাধ্যমে। বাকি অংশ দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন করে সরবরাহ করা হয়। চাহিদা ও সরবরাহে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে গ্যাসের ঘাটতি আরও বাড়লে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও গৃহস্থালি ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

গ্যাস সরবরাহে রেশনিং শুরু : জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় এরই মধ্যে গ্যাস সরবরাহে রেশনিং কার্যক্রম শুরু করেছে পেট্রোবাংলা। পরিস্থিতি সামাল দিতে দৈনিক প্রায় ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে আগামী সাত দিনে প্রায় এক হাজার ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সাশ্রয় করা সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ কমে গেলে শিল্প, পরিবহন ও আবাসিক খাতে ভোগান্তি বাড়তে পারে।

বিদ্যুৎ বিভাগ ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবির) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, গ্যাস সরবরাহে রেশনিং শুরু হওয়ায় আগামী সপ্তাহ থেকে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং করে বিদ্যুতের লোড ম্যানেজমেন্ট শুরু হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে জনগণকেও পরিস্থিতি বিবেচনায় সাশ্রয়ী ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে বাজারে এলপিজি সরবরাহ নিয়েও কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ব্যাংকঋণ ও এলসি খোলার জটিলতার কারণে অনেক কোম্পানি নিয়মিত এলপিজি আমদানি করতে পারছে না।

আমাদের সময়ের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:

রাজশাহী ব্যুরো: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে রাজশাহীতে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে পেট্রোল ও অকটেনের চাহিদা। পেট্রোল পাম্পগুলোতে দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন। নগরীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে দেখা গেছে, সকাল থেকেই মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের দীর্ঘ সারি। তবে বেশিরভাগ পাম্পেই একজন গ্রাহককে ৩০০ টাকার বেশি জ্বালানি দেওয়া হয়নি। নগরীর লতা ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল কিনতে আসা মোটরসাইকেল চালক রবিউল ইসলাম খোকন বলেন, আমি যাতায়াত করবো ৪০০ কিলোমিটার দূরে মোটরসাইকেল নিয়ে। কিন্তু আমাকে তেল দিল মাত্র ৩০০ টাকার। বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী শাখার সভাপতি মনিমুল হক বলেছেন, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি গ্রাহক জ্বালানি নিতে আসছেন। এতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর এত বেশি চাপ তৈরি হয়েছিল বাধ্যই আমরা বন্ধ করে দিয়েছিলাম।

রাজবাড়ী প্রতিনিধি : রাজবাড়ীতে পেট্রোল পাম্পগুলোতে দেখা গেছে দীর্ঘ লাইন। রাজবাড়ী মুরগী ফার্মের কাজী ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, অকটেন নেই। পেট্রোল ২০০ টাকার বেশি বিক্রি করছে না। গাড়ী এসে পর্যাপ্ত তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে। শ্রীপুর পলাশ পেট্রোল পাম্পে তেল কিনতে আসা মোটরসাইকেল চালক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আমি ঢাকা যাবো। গাড়ীর তেল নেই। এখন পাম্পে আসলাম তেল নিতে, কিন্তু ২০০ টাকার বেশি তেল দিচ্ছে না। তাহলে দেড় শত কিলোমিটার পথ কিভাবে যাবো।


মানিকগঞ্জ (হরিরামপুর) প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কিছু জ্বালানি তেলের দোকান। এতে বিপাকে পড়েছেন কৃষক ও সাধারণ ভোক্তারা। হরিরামপুর একটি কৃষিপ্রধান উপজেলা। এখানকার অধিকাংশ কৃষক সেচের কাজে ডিজেলনির্ভর সেচযন্ত্র ব্যবহার করেন। ফলে হঠাৎ তেলের সংকট দেখা দেওয়ায় কৃষিকাজ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।


স্থানীয়রা জানান, তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার আগেই স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও মজুতদার কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তেলের দোকান বন্ধ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বাল্লা ইউনিয়নের ভাদিয়াখোলা গ্রামের কৃষক কাশেদ আলী বলেন, ডিজেল নিতে এসেছিলাম। দোকান বন্ধ থাকায় ফিরে যেতে হচ্ছে। ডিজেল ছাড়া সেচ দিতে পারবো না। পানি দিতে না পারলে ধানের চারা নষ্ট হয়ে যাবে।


হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: জ্বালানি তেলের অবৈধ পাচার রোধে দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রযেেছ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্ত দিয়ে ভারতে তেল পাচার ঠেকাতে টহল জোরদার করার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। বিজিবির দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান বলেন, হিলিসহ দিনাজপুর সেক্টরের আওতাধীন সব সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। দেশের জ্বালানি সম্পদ যেন কোনোভাবেই সীমান্ত দিয়ে পাচার হতে না পারে, সে বিষয়ে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।


ভালুকা প্রতিনিধি ঃ ময়মনসিংহের ভালুকায় ইচ্ছাকৃতভাবে পেট্রোল বিক্রি বন্ধ রাখার অভিযোগে পলাশ ফিলিং স্টেশনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত এক অভিযানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইকবাল হোসাইন এ জরিমানা করেন। সূত্র : আমাদের সময় 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম