ঢাকা ০১ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঈদ ঘিরে প্রধানমন্ত্রীর গণমুখী উদ্যোগে গণআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন: মাহদী আমিন ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ আর নেই সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের বিশাল জাল তৈরি হয়েছে: রিজভী ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রস্তুত সরকার সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাধা মোকাবিলায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে সরকার: তথ্যমন্ত্রী ৬ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ফটিকছড়িতে বাসচাপায় বাবা-ছেলের মৃত্যু

সংকটেও ধারকর্জের মহাবাজেট

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০১ জুন, ২০২৬,  11:09 AM

news image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিএনপি জোট সরকারের প্রথম বাজেট প্রায় চূড়ান্ত। বিশেষ পরিবর্তন না হলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটটি ১১ জুন সংসদে উত্থাপন করা হবে। সরকার এমন এক সময়ে বাজেট দিতে যাচ্ছে, যখন তহবিলসংকটে রীতিমতো ঋণ করে চলছে। এরই মধ্যে বড় অঙ্কের ব্যাংকঋণ নিয়েছে সরকার। রাজস্ব ঘাটতি লাখ কোটি টাকা বেশ আগেই ছাড়িয়েছে। অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্থর গতির কারণে সরকারকে অনেকটাই ঋণের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। ঠিক এ সময়েই সরকার বড় অঙ্কের একটি উচ্চাভিলাষী বাজেট দিতে যাচ্ছে, যা বাস্তবায়ন নিয়ে এখনই নানা শঙ্কার কথা শোনা যাচ্ছে। 

বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের সামর্থ্য নেই কিন্তু ঋণ করেই বড় এ বাজেট দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি লক্ষ্যমাত্রাই বাস্তবায়ন প্রায় কঠিন। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, ঋণের পাশাপাশি তহবিল সংগ্রহে মানুষের ওপর করের বোঝাও বাড়বে আসছে বাজেটে।

যেখানে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সাত লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেটই বাস্তবায়ন থেকে অনেক পিছিয়ে, সেখানে আরেকটি বড় বাজেটে আকার বাড়ানো হচ্ছে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা, শতকরা হিসাবে যা চলতি বাজেটের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ বেশি।

বাজেটে শুধু উচ্চাভিলাষী ব্যয়ই নয়, একইভাবে ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার বিশাল রাজস্ব আয়ের পরিকল্পনাও করা হয়েছে। এর পরও বাজেটে রেকর্ড পরিমাণ দুই লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকছে। এই ঘাটতি অর্থায়নে সরকারকে বরাবরের মতো বৈদেশিক ঋণ ও অভ্যন্তরীণ খাতের ওপর নির্ভর করতে হবে।

তবে বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুসারে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনের ভিত্তিতে প্রণীত এই বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

আগামী বছরের বাজেটের প্রস্তুত করা চূড়ান্ত সারসংক্ষেপ বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে, যা নিয়ে এরই মধ্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সিরিজ বৈঠক করেছেন। তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ীই বাজেটের এই সারসংক্ষেপ চূড়ান্ত করেছে অর্থ বিভাগ।

সরকারের প্রস্তুত করা সর্বশেষ বাজেটের খসড়ায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জন, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, সামাজিক সুরক্ষাজালের সম্প্রসারণ, কল্যাণকর অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপনে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং ব্যাপকভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ ১৩টি ইস্যুকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে।

অর্থ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ২০ বছর পর দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আসা অভিষিক্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান তাঁর এই প্রথম বাজেটকে দেশের অর্থনীতির জন্য নতুন এক মাইলফলক হিসেবে দেখাতে চাচ্ছেন। এ জন্য ঈদের ছুটিতেই তিনি এ নিয়ে নিয়মিত কাজ করেছেন। অবশ্য অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীরও এটি প্রথম বাজেট। এখন অর্থমন্ত্রীর বাজেট বত্তৃদ্ধতার খুঁটিনাটি বিষয় কাটাছেঁড়া করা হচ্ছে।

২০২৬-২৭ বাজেটের খসড়া নথির তথ্য মতে, আসন্ন বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৬.৫ শতাংশ। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছিল। অবশ্য বিশ্বব্যাংক বলছে, এ বছর বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫ শতাংশের কম।

একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে এই লক্ষ্য অর্জন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের কারণে দেশের বাজরে জ্বালানি তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়াও চলমান।

বাজেটের খসড়ায়ও উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী বছর তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম ধাপে ধাপে সমন্বয় করা হবে। বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত থেকে ভর্তুকি পুরোপুরি তুলে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছে সরকার। কিন্তু আগামী বাজেটেও এই খাতের জন্য ৩৭ হাজার কোটি টাকাসহ ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ সহায়তার জন্য এক লাখ ১৭ হাজার ১২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী।

বাজেট বাস্তবায়নে অর্থ আসবে ও খরচ হবে যেভাবে: 

আসছে বাজেটে রাজস্ব খাত থেকে মোট ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এর মধ্যে এনবিআর থেকে ছয় লাখ চার হাজার কোটি টাকা, নন-এনবিআর ২৫ হাজার কোটি টাকা এবং এনটিআর খাত থেকে ৬৬ হাজার কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। বাজেটের মোট ব্যয়ের বাকি দুই লাখ ৪৩ হাজার কোটি ঘাটতি হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি: 

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য সরকার তিন লাখ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন করেছে। উন্নয়ন ব্যয়ের অর্থায়নে দেশি ও বৈদেশিক উভয় উৎসর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই ব্যয়ের জন্য সরকারি তহবিল থেকে অর্থায়ন করা হবে এক লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। বৈদেশিক সহায়তা ও ঋণ এক লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। এডিপিতে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত পরিবহন ও যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, গৃহায়ন ও কমিউনিটি সুবিধা, কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা।

বাজেটের ঘাটতি অর্থায়ন: 

বিপর্যস্ত অর্থনৈতিক অবস্থা ও চলমান বৈশ্বিক সংকটের কারণে চলতি অর্থবছরের গত ১০ মাসে রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে এক লাখ কোটি টাকার ওপরে। বাজেটে দুই লাখ ৪৩ হাজার কোটি ঘাটতি হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এই ঘাটতি অর্থায়নে সরকারকে ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত খাতের পাশাপাশি বৈদেশিক উৎসর প্রতি নির্ভরশীল থাকতে হবে। এর মধ্যে সরকার বছরজুড়ে ব্যাংকঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে এক লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকবহির্ভূত খাত থেকে নেওয়া হবে ১৫ হাজার কোটি টাক। আগামী বছরের ঘাটতির বাকি এক লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে বৈদেশিক উৎস থেকে। একই সঙ্গে আগামী অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা হবে ৪৬ হাজার কোটি টাকা।

বাজেটের অগ্রাধিকার: 

আসছে বাজেটের অগ্রাধিকার ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা। এ লক্ষ্যে কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। কল্যাণকর অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপনে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ইত্যাদির মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তার খাত সম্প্রসারণ। জনগণের দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসাসেবা পৌছে দেওয়া, আর্থিক খাত পুনর্গঠনের মাধ্যমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কৃষি খাতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান এবং সৃজনশীল (চলচ্চিত্র, সংগীতশিল্প, খেলাধুলা, গ্রামীণ সংস্কৃতি) অর্থনীতি খাতের বিকাশে সহায়তা করা

বাজেটের নতুনত্ব: সুজনশীল অর্থনীতি ও বিনিয়ন্ত্রণ: বাজেটে তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ‘সৃজনশীল অর্থনীতি’ নামের নতুন ধারণা যুক্ত করার আলোচনা চলছে। তথ্য-প্রযুক্তি, ফ্রিল্যান্সিং, সাংস্কৃতিক শিল্প, উদ্ভাবনভিত্তিক ব্যবসা এবং স্টার্টআপ খাতকে উৎসাহ দিতে বিশেষ প্রণোদনা ও তহবিল গঠনের প্রস্তাব রয়েছে বলে জানা গেছে।

সামাজিক সুরক্ষা: 

২০২৫-২৬ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ কিছুটা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন বাজেটে মোট বরাদ্দ প্রায় এক লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যেখানে আগের বাজেটে ছিল প্রায় এক লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা। সামাজিক সহায়তা, ভাতা ও নগদ সহায়তার বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে পরিবার কার্ড, কৃষক কার্ড, বয়স্ক ও বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি এবং মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি উল্লেখযোগ্যভাবে অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে শ্রমবাজার ও কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থানমূলক প্রকল্পেও বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

সর্বোচ্চ বরাদ্দের ১০ মন্ত্রণালয়: 

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর তালিকায় শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ প্রায় ৫৭ হাজার ৩০২ কোটি টাকার বরাদ্দ নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। একইভাবে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৪৯ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আবুল কাসেম খান বলেন, ‘মানুষের আয় কমেছে, নতুন করদাতা তৈরি হয়নি। যাঁরা কর দিচ্ছেন, তাঁরাই দিচ্ছেন। ফলে সরকারের রাজস্ব আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, তা বাস্তবভিত্তিক নয়। পুরো অর্থনীতি এখন চাপের মধ্যে রয়েছে, ব্যবসায়ীরাও সংকটে আছেন। এ অবস্থায় ব্যবসা সহজীকরণসহ অর্থনীতিকে আরো উন্মুক্ত করতে হবে এবং একটি বাস্তবসম্মত বাজেট প্রণয়ন জরুরি। আর্থিক খাতও ভালো অবস্থায় নেই। তাই ব্যবসা, অর্থনীতি ও মানুষের ব্যয়ের সক্ষমতাকে কেন্দ্র করে নীতি নির্ধারণ করতে হবে। প্রয়োজন হলে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রণোদনা দিতে হবে।’

রাজস্ব খাত বিশ্লেষক ও এসএমএসি অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেসের পরিচালক স্নেহাশীষ বড়ুয়া বলেন, ‘আসছে অর্থবছরে এনবিআরের ছয় লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য জোরালো কাঠামোগত সংস্কার অপরিহার্য। এই কৌশলের কেন্দ্রে রয়েছে ভ্যাট ও আয়করের ক্ষেত্রে ব্যাপক করছাড় যৌক্তিকীকরণ এবং বিপুলসংখ্যক বকেয়া পাওনা আদায় করা। এ ছাড়া ভ্যাটের হার ও করপোরেট আয়কর যৌক্তিকীকরণ, উৎস করের কার্যকর নজরদারি, রিটার্ন দাখিলের পরিপালন নিশ্চিত করা এবং ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে ব্যাপক কর ফাঁকি রোধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। শুধু স্বাভাবিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে এই বিশাল রাজস্ব ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হবে না। শুধু লক্ষ্য বাড়ানো যথেষ্ট নয়, বরং করভিত্তি বিস্তৃত করার দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। নতুন করদাতা অন্তর্ভুক্তি, কর ফাঁকি রোধ এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব নয়।’

সূত্র: কালের কণ্ঠ

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম