ঢাকা ০২ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
মহান মে দিবস আজ : শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেফতার করা প্রয়োজন: নাহিদ ইসলাম প্রথমবারের মতো নারী পুলিশ সুপার পাচ্ছে ঢাকা জেলা কবে শতভাগ শিশু হামের টিকার আওতায় আসছে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘বিএনপির সময়ে শেয়ারবাজার লুটপাটের সুযোগ ছিল না, এবারও থাকবে না’ অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১২ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি বিরোধী দলের আপত্তির মুখেই দুই বিল পাশ ২৩৮৬৫টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে, সংসদে আইনমন্ত্রী ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী

শ্যামনগরে পটকা মাছ খেয়ে একজনের মৃত্যু

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৭ এপ্রিল, ২০২২,  10:23 AM

news image

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের বংশিপুর গ্রামে পটকা মাছ খেয়ে বিষক্রিয়ায় মতিউর রহমান নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ওই পরিবারের আরও পাঁচ সদস্য অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মতিউর রহমানকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনার পথে তিনি মারা যান। পরিবারের অপর চারজন বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মতিউর রহমান (৫২) শ্যামনগর উপজেলার বংশিপুর গ্রামের মৃত আনসার আলীর ছেলে।

অসুস্থরা হলেন মতিউর রহমানের স্ত্রী মমতাজ বেগম (৪৫), ছেলে সাগর হোসেন (২৫), সাগরের স্ত্রী সিলমি বেগম (২২) ও তাদের ছেলে মাহির হোসেন (৪)। মতিউর রহমানের মামাতো ভাই আব্দুল হান্নান জানান, দুপুরের খাবারে পটকা মাছ দিয়ে আহার সেরেছিলেন মতিউর রহমানের পরিবারের সদস্যরা। খাবার খাওয়ার পরপরই তারা বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন। পরে তাদের শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. বিপ্লব কান্তি দে বলেন, ‌‘বিকেলে দিকে তাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। অবস্থার অবনতি হলে মতিউর রহমানকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পথে কুলিয়া এলাকায় তিনি মারা যান। পরিবারের বাকি চারজন সদস্যও আশঙ্কামুক্ত নন। তাদের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, রোগীদের পুরো শরীর ঝিমঝিম করাসহ খিঁচুনি ও বমি হচ্ছিল। ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম শোকর আলী বলেন, পটকা মাছ খেয়ে মতিউর রহমানের মৃত্যু হয়েছে। তার পরিবারের আরও পাঁচ সদস্য গুরুতর অসুস্থ বলে শুনেছি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম