ঢাকা ১৫ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙ্গা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে নিহত বেড়ে ৮ সাভারে মা-ছেলেসহ ৩ ‘পেশাদার’ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, ইয়াবা উদ্ধার ঢাকার আবাসিক ভবনে আগুন হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানি নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ্যানি, এলজিআরডিতে সালাহউদ্দিন চকরিয়ায় সড়কে ঝরল ৪ প্রাণ প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স পিএলসি- এর চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পুনঃনির্বাচিত প্রভাতী ইন্সুরেন্স পিএলসি এর ৩০ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত দুদকের অভিযোগ পরিসমাপ্তি : ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান এনআইডিতে জন্ম তারিখ সংশোধন নিষ্পত্তি করবে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা

শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে কী খাবেন

#

লাইফস্টাইল ডেস্ক

২২ নভেম্বর, ২০২২,  12:16 PM

news image

শীতকালে অনেকসময়েই কম পানি খাওয়া হয়। এর ফলে বদহজমের পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দেখা যায়। এই সমস্যা দূর করতে কিছু খাবারের ওপর ভরসা রাখতে পারেন। যেমন-

মেথি : কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে খুব ভাল কাজ করে মেথি। প্রতিদিন সকালে মেথি ভেজানো পানি খেতে পারেন। মেথি ভেজানো পানি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। গ্যাসজনিত সমস্যা কমায়। হজমের সমস্যা দূর করে।

আমলকী : আমলকীর মধ্যে প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতেও এই ফল উপকারী। আমলকী সিদ্ধ করে খেতে পারেন। চাইলে খেতে পারেন আমলকীর রসও। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করা ছাড়াও শীতের মরসুমে সর্দির সমস্যা, হাল্কা-খুসখুসে কাশি দূর করতেও কাজে লাগে আমলকী।

কমলা : শীতের মৌসুমি ফল হল কমলালেবু। এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। এই ফল কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। শীতের মৌসুমে প্রতিদিন একটা করে কমলা খেতে পারেন। এই ফল সর্দি কাশির সমস্যা দূর করতেও কাজে লাগে।

কিশমিশ : কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে দারুণভাবে কাজে লাগে কিশমিশ। প্রতিদিন সকালে অন্তত ২ থেকে ৩ টি কিশমিশ খেতে পারেন। পানিতে ভিজিয়ে রেখে কিশমিশ খেলেও উপকার পাবেন। যেদিন সকালে কিশমিশ খাবেন, তার আগের দিন রাতে পানিতে কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন।

খেজুর: খেজুরের মধ্যে রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যগুণ। ফাইবারে ভরপুর এই শুকনো ফল কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। শরীরে রক্তের মাত্রা বাড়াতে অর্থাৎ হিমোগ্লোবিন ঠিক রাখতেও সাহায্য করে খেজুর। তাই শীতের মৌসুমে প্রতিদিন দুটি করে খেজুর খেতে পারেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম