ঢাকা ১৯ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে, বেতন কমল ৫ জনের প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামতে প্রস্তুত শরিফুল হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল চেয়ে রিট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে এবার আপিলে আবেদন ‘খাসিকাণ্ডে বিয়ে ভাঙা’ সেই জাপানপ্রবাসী করলেন নতুন বিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট বৃহস্পতিবার ৪ বছরের চুক্তিতে বার্সেলোনায় রদ্রি ১৩০ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি প্রতারক দিলরুবা গ্রেপ্তার বেগমগঞ্জে ১২ দিনে ৮ জনকে গুলি, অস্ত্রধারীরা অধরা

শিক্ষার মান নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৯ মার্চ, ২০২২,  2:53 PM

news image

বর্তমানে শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলে দাবি করেছেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা। তার বলেছেন, নিয়োগবাণিজ্য, মানহীন শিক্ষাব্যবস্থায় জাতি ক্রমাগত অবনমন হচ্ছে। এর ফলে দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিল পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তার বিরোধিতা করে এসব কথা বলেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদ্যরা। তাদের মধ্যে ছিলেন- জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু, ফখরুল ইমাম, রুস্তম আলী ফরাজী, বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ এবং রুমিন ফারহানা। সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, বর্তমানে শিক্ষার গুণগতমান একেবারে ভেঙে পড়েছে। তাছাড়া স্কুল-কলেজগুলোতে গত ১০ থেকে ১৫ বছরের অর্থ বিনিময়ের ছাড়া কোনো শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ হচ্ছে না।

সম্প্রতি দপ্তরি নিয়োগেও ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা নিয়োগবাণিজ্য হয়েছে বলে দাবি করেন হারুন। তিনি গতানুগতিক শিক্ষা বাদ দিয়ে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাব্যবস্থা চালুর অনুরোধ করেন। বিএনপির আরেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, আজকের এই বিল নিয়ে আমরা ১৫৭টি বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস করলাম। কিন্তু বেকারত্বের হার বেড়েছে বৈ কমেনি। একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে এমএ পাস বেকারের সংখ্যা ৩৭ শতাংশ, বিএ পাস বেকার ৩৭ শতাংশ, এইচএসসি পাশ ২৭ শতাংশ, এসএসসি পাস করা বেকারের সংখ্যা ২৮ শতাংশ। সুতরাং ৬৬ শতাংশের ওপরে শিক্ষিত বেকার ঘুরে বেড়াচ্ছেন। যার মধ্যে মাত্র ৩ শতাংশ নিজ উদ্যোগে কিছু কাজ করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। আজ সারাদেশে যত শিক্ষিত বেকার আছেন তার ২১ শতাংশ মাত্র চাকরি পেয়েছেন। জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইচ্ছেমতো আর্থিক ব্যবস্থাপনা করছে। এটি বন্ধ করতে না পারলে দুর্নীতি বেড়ে যাবে, শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। তিনি বলেন, সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি নীতিমালা করা উচিত। দেখা যাচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভিন্ন ভিন্ন নীতিমালা হচ্ছে। এগুলো বন্ধ না হলে শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়বে, শিক্ষাবাণিজ্য বেড়ে যাবে। সংসদে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো খুবই সুন্দর। কিন্তু শিক্ষাব্যবস্থা কর্মবিমুখ। শিক্ষকরাও তেমনভাবে প্রশিক্ষিত নন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেসব ছেলে-মেয়েরা বের হচ্ছেন তারা অধিকাংশই বেকার হয়ে ঘুরছেন। এ সময় তিনি কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা চালুর আহ্বান জানান।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম