ঢাকা ০৬ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন এবার এশিয়ার বাজারও দখলে নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, রপ্তানির জোয়ার ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী লটারিতে বদলি, ১৮ সাব-রেজিস্ট্রারের তালিকা প্রকাশ এলপিজি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি নিশ্চিত করতে ডিসিদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় হত্যা মামলার প্রধান আসামি ধরা চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ‘পোশাক লাগিয়েছি ঘুষ খাওয়ার জন্যই’ বলা এএসআই প্রত্যাহার শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

লাগামহীন আদা-রসুনের বাজার

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০১ জুন, ২০২৪,  10:55 PM

news image

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে গত ১৫ দিনের ব্যবধানে বিভিন্ন মসলার সঙ্গে পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও কাঁচামরিচের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে সাধারণ ক্রেতারা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্থানীয় বাজারে আদমানি কম হওয়াসহ মোকামে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম বেড়েছে। সরবরাহ বাড়লে দামও কমে আসবে এমনটাই আশা ব্যবসায়ীদের। শনিবার (১ জুন) সকালে ফুলবাড়ী পৌর বাজার ঘুরে দেখা যায়, ১৫ দিন আগেও যে আদা বিক্রি হয়েছে ১৮০ টাকা কেজি দরে, এখন সেই আদা বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়। ১৭০ টাকা কেজির রসুন বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে। ৫৫ টাকা কেজির পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায় আর ৫০ টাকা কেজির কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। ফুলবাড়ী পৌর বাজারে বাজার করতে আসা মো. মাহাবুব আলম বলেন, গত দুই সপ্তাহ আগে আদা ১৮০ টাকা কেজি দারে কিনতে পাওয়া গেলেও এখন সেই আদা কিনতে হচ্ছে ২৪০ টাকা কেজি দরে।

এভাবে দাম বাড়লে সাধারণ মানুষ চলবে কীভাবে। অপর ক্রেতা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, কোরবানির ঈদ আসছে। সবার মসলা প্রয়োজন হয়। বাজারে এসে দেখা যাচ্ছে আদা, রসুন, পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচের দাম বেড়ে গেছে। নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকলে অনেক ভালো হয়। ফুলবাড়ী পৌর বাজারের পাইকারি সবজি ব্যবসায়ী বিধান চন্দ্র ও আলমগীর হোসেন বলেন, ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে আদার দাম বাড়ছে। দেশের বাজারে রসুনের আমদানি বর্তমান কম, যার কারণে দাম বাড়ছে। আবার মোকামে দাম বৃদ্ধিসহ আমদানি কম হওয়ায় পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দামও বেড়েছে। প্রচণ্ড দাবদাহে মরিচের গাছ ঝলসে যাওয়ায় ফলন কমে গেছে। ফলে আমদানি কমে গেছে আশঙ্কাজনকভাবে। এসব কারণেই দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরবরাহ বাড়লে দামও কমে আসবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর মো. আল কামাহ্‌ তমাল বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও নজরদারি রাখা হয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা যদি সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্র :  কালবেলা 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম