ঢাকা ০১ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
চট্টগ্রামে মাছ ধরার ট্রলারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ দুই নাবিকের মৃত্যু ভূমি সেবায় নাগরিকদের তথ্য সুরক্ষায় নতুন নির্দেশনা জারি ঢাকা থেকে মনিটরিং হবে সারাদেশের এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী ঢাবি স্টেশনে আজ ৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের স্টপেজ নতুন ৩ উপজেলা ও এক থানার অনুমোদন সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে মাছের ঘেরের পাশে যুবকের মরদেহ উদ্ধার ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে হবে : নাহিদ ক্রিপ্টো ব্যবসা থেকে ১ বছরে ট্রাম্পের আয় শতকোটি ডলার মেক্সিকোয় ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সাইবার নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: তথ্যমন্ত্রী

রিজার্ভে হাত না দিয়েই দেড় বিলিয়ন ডলার ঋণ শোধ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ অক্টোবর, ২০২৪,  2:07 PM

news image

রিজার্ভে হাত না দিয়ে গত দুই মাসে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের দেড় বিলিয়ন ডলার বকেয়া পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর অর্থপাচার ঠেকানোর পাশাপাশি দুর্নীতি কমায় আন্তব্যাংকে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। ফলে দেশের ব্যাংকগুলোতে এখন ডলারের সংকট নেই। এমন পরিস্থিতিতে  রিজার্ভে হাত না দিয়ে আন্তব্যাংক থেকে ডলার নিয়ে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের বকেয়া পরিশোধ করা হয়েছে। শনিবার (১৯ অক্টোবর) গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, আগে ব্যাংকগুলোতে ডলারের সংকট ছিল। এখন অধিকাংশ ব্যাংকে ডলারের মজুত বেড়েছে। প্রবাসীরা মূলত ব্যাংকে ডলার পাঠায় রেমিট্যান্স আকারে। রপ্তানি আয়ের টাকাও প্রথমে ব্যাংকেই জমা হয়।  আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংকগুলো থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনে, আবার বিক্রিও করে। কিন্তু আমি রিজার্ভ থেকে কোনো ডলার বিক্রি করছি না। যেভাবে দেনা পরিশোধ করা হলো তার ব্যাখ্যায় গভর্নর বলেন, ধরেন ইসলামী ব্যাংকে প্রচুর রেমিট্যান্স আসার কারণে সেখানে উদ্বৃত্ত ডলার আছে। কিন্তু তাদের কাছে টাকা নেই। আমরা সোনালী ব্যাংককে বা রূপালী ব্যাংককে বলেছি সমপরিমাণে টাকা দিয়ে ইসলামী ব্যাংক থেকে ডলার নিয়ে সারের বকেয়া পরিশোধ করতে। তারা তাই করেছে। আগে বাংলাদেশ ব্যাংক সোনালী বা রূপালী ব্যাংককে রিজার্ভ থেকে ডলার দিতো। এই দুই মাসে রিজার্ভে হাত দিতে হয়নি।  তিনি বলেন, এখনও ৭০০ মিলিয়ন ডলার দেনা আছে। আশা করছি, অচিরেই এই দেনাও পরিশোধ হবে রিজার্ভে হাত না দিয়েই।  গভর্নর আরও বলেন, এখন ডলারের চাইতে টাকার দাম বেশি। যে কারণে ডলারের প্রতি মানুষের এখন আগ্রহ কম, টাকার প্রতি আগ্রহ বেশি। ডলারের তুলনায় টাকাতে এখন বেশি সুদ পাওয়া যাচ্ছে। মূল্যস্ফীতি কমতে শুরু করেছে। এছাড়া অনিশ্চয়তা কাটতে শুরু করেছে তেল, গ্যাস, সারসহ দরকারি পণ্য আমদানিতে। গভর্নর জানান, ডিসেম্বরের মধ্যে সব দায় মেটানোর পর আরও ইতিবাচক ধারায় ফিরবে অর্থনীতি। বিনিয়োগ, প্রবৃদ্ধি নিয়ে এই মুহূর্তে চিন্তা না করে, ধৈর্য ধরার পরামর্শ দেন তিনি। ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ২.৫ বিলিয়নের মতো অনাদায়ী, অনিষ্পন্ন দায় ছিল সরকারের। সেটা ছিল ডলারের। সেটা আমরা কমিয়ে ৭০০ মিলিয়নে নিয়ে এসেছি। আগামী দুই মাসের মধ্যে দেনা জিরোতে নামিয়ে আনবো। তখন বাজারে লিকুইডিটি আরও বাড়বে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম