ঢাকা ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ভোট দিতে আজও বাড়ির পথে ছুটছে মানুষ, নেই ভোগান্তি পূর্বাচলের নীলা মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড, ৫ দোকান পুড়ে ছাই ৫৫ হাজার মেট্রিক টন সার কিনবে সরকার ইরানের সঙ্গে আলোচনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি রণতরী পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন সিইসি কানাডায় স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ১০ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ড মোতায়েন ‘তথ্য অধিকার আইন’ সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি, জরিমানার মাত্রা দ্বিগুণ অর্ধেকের বেশি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ’ সাড়ে আট হাজার চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে পিস্তল-গুলি উদ্ধার

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর দাফন সম্পন্ন

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  9:24 PM

news image

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জাতীয় সংসদের উপনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) বাদ আসর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়। জানাজায় দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।দাফনের আগে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মরদেহ বনানী কবরস্থানে পৌঁছালে ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষে পুলিশের একটি চৌকশ দল তাকে ‘গার্ড অব অনার’ দেয়। এসময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে দলের কেন্দ্রী নেতারা ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। মৃত্যুকালে তিনি ৩ ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ১৯৫৬ সাল থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ১৯৬৯–১৯৭৫ সময়কালে তিনি বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে কলকাতা গোবরা নার্সিং ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭২-১৯৭৫ সময়কালে বাংলাদেশ নারী পুনর্বাসন বোর্ডের পরিচালক, ১৯৭২-১৯৭৬ সময়কালে বাংলাদেশ গার্ল গাইডের ন্যাশনাল কমিশনার এবং ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯২ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রদত্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। ১৯৩৫ সালের ৮ মে মাগুরা জেলায় মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। তার পিতার নাম সৈয়দ শাহ হামিদ উল্লাহ এবং মাতা সৈয়দা আছিয়া খাতুন। শিক্ষাজীবনে তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম