ঢাকা ২৫ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু ডিএনসিসি'র উদ্যোগে ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ভূমিকম্পের আঘাতের পর ভেনেজুয়েলায় ২০টির বেশি আফটারশক রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: আসামি পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ ভিসা নিয়ে সুখবর দিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ‘৫০ বছরে আ.লীগের ফিরে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ’ তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস চীনের প্রচলিত বাজেটের মডেলকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছি: অর্থমন্ত্রী দেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ মাদক ব্যবহার করছে ৪৩তম বিসিএস: নন ক্যাডারের ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

রাজধানীতে বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৬ জুলাই, ২০২৩,  11:38 AM

news image

রাজধানীর পূর্ব রামপুরার তিতাস রোডের একটি বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে এই দম্পতি একই ফ্যানে গলার ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে পূর্ব রামপুরা তিতাস রোডের একটি টিনশেড ঘর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা রাত ৩টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি ফ্যানের হুকের সাথে দুজন গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছে। পরে আমরা সিআইডির ফরেনসিক টিমকে খবর দেই। তারা এসে আলামত সংগ্রহ করে। এরপর আমরা মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠাই।  মরদেহ উদ্ধার হওয়া এই দম্পতির স্বামীর নাম জুয়েল (২৮) ও স্ত্রীর নাম নাসরিন (২২)। তাদের সম্পর্কে ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, জুয়েল মাটি কাটার কাজ করতেন এবং নাসরিন গৃহকর্মীর কাজ করতেন। স্বামী অসুস্থ হওয়ায় সেটিও করতে পারতেন না। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি পরিবারের অর্থনৈতিক সংকটের কারণে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। আমরা এখন পর্যন্ত অন্য কোনো ঘটনা পাইনি। জুয়েলের গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রাম এবং নাসরিনের কিশোরগঞ্জ বলেও জানান ওসি। স্বজনরা জানান, জুয়েলের বাড়ি কুড়িগ্রামে। তার বাবার নাম আজাদুর খন্দকার। আর নাসরিনের বাড়ি কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায়। তার বাবার নাম সিদ্দিকুর রহমান। গত সাড়ে ৩ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। তাদের একটি সন্তান হলেও ৯-১০ মাস আগে সে সন্তান মারা যায়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম