ঢাকা ১০ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বিশ্বমঞ্চে শীর্ষ শান্তিরক্ষী দেশ হিসেবে গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিকের পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে নতুন বই পুলিশের জন্য ১৮২ কোটি টাকার গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত সাভারে দেরিতে অফিসে ঢোকায় এসিল্যান্ডসহ ৭ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ট্রাক-মাহিন্দ্রা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ বকেয়া পৌরকর আদায়ে ১৫% সারচার্জ মওকুফের সুযোগ দিলো ডিএসসিসি ডেঙ্গু চিকিৎসায় সব ধরনের সহায়তা করবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আদালতে খালাস পেলেন নাসির-তামিমা দম্পতি বর্তমান সরকার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি পরিচালনা করছে: শামা ওবায়েদ সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

যে ৩ আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয়

#

১০ এপ্রিল, ২০২৩,  2:08 PM

news image

রাসুল (সা.) যেমন উম্মতদের নানা বিষয়ে আদেশ-নিষেধ করেছেন, তেমনি বাতলে দিয়েছেন মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের পথও। এর মধ্যে একটি হাদিসে মহান রবের কাছে প্রিয় তিনটি আমলের কথা উঠে এসেছে।

ইবনু মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, কোন কাজ (আমল) আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয়? তিনি (রাসুল সা.) বললেন, সঠিক সময়ে সালাত (নামাজ) আদায় করা। আমি বললাম, এরপর কোন কাজ? তিনি বললেন, মা-বাবার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, এরপর কোন কাজ? তিনি বললেন, আল্লাহর পথে জিহাদ করা। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫০২, মেশকাত, হাদিস: ৫৬৮)

এ ক্ষেত্রে নামাজ আদায়ের পুরস্কারের কথাও হাদিসে এসেছে। উবাদাহ্ ইবনুস্ সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, পাঁচ ওয়াক্ত সালাত (নামাজ) যা আল্লাহ তা’য়ালা (বান্দার জন্য) ফরজ করেছেন। যে ব্যক্তি এ সালাতের জন্য ভালোভাবে অজু করবে, সঠিক সময়ে আদায় করবে এবং এর রুকু ও খুশুকে পরিপূর্ণরূপে করবে, তার জন্য আল্লাহর ওয়াদা রয়েছে যে, তিনি তাকে ক্ষমা করে দেবেন। আর যে তা না করবে, তার জন্য আল্লাহর ওয়াদা নেই। ইচ্ছা করলে তিনি ক্ষমা করে দিতে পারেন, আবার ইচ্ছা করলে শাস্তিও দিতে পারেন। (মেশকাত, হাদিস: ৫৭০)

আবার নামাজ ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে কড়া নিষেধের কথাও এসেছে হাদিসে। জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, বান্দা এবং শিরক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত (নামাজ) পরিত্যাগ করা। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৪৯)

অন্যদিকে, পিতা-মাতার খেদমতের বিষয়ে খোদ মহান আল্লাহ তা’য়ালা পবিত্র কুরআনে আদেশ দিয়েছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা ইবাদাত করো আল্লাহর, তার সঙ্গে কোনোকিছুকে শরিক করো না। আর সদ্ব্যবহার করো মাতা-পিতার সঙ্গে, নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে, ইয়াতিম, মিসকিন, প্রতিবেশী, অনাত্মীয় প্রতিবেশী, পার্শ্ববর্তী সঙ্গী, মুসাফির এবং তোমাদের মালিকানাভুক্ত দাস-দাসীদের সঙ্গে। নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না তাদের যারা দাম্ভিক ও অহংকারী। ’ (সুরা নিসা, আয়াত: ৩৬)

অপর আয়াতে এসেছে, আর তোমার রব আদেশ দিয়েছেন যে, তোমরা তাকে ছাড়া অন্য কারও ইবাদাত করবে না এবং পিতা-মাতার সঙ্গে সদাচরণ করবে। তাদের একজন অথবা উভয়েই যদি তোমার নিকট বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবে তাদের ‘উফ’ বলো না এবং তাদের ধমক দিও না। আর তাদের সঙ্গে সম্মানজনক কথা বলো। (সুরা বনি-ইসরাঈল, আয়াত: ২৩)

এ ছাড়া আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারীদের জন্য রয়েছে বিশেষ পুরস্কার। হাদিসে এসেছে, আবু হুরায়রাহ্ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহর পথে মুজাহিদদের তুলনা ওইরূপ সায়িমের (রোজাদারের) ও সালাত আদায়রত অবস্থায় তিলাওয়াতকারীর ন্যায়, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদের ঘরে ফিরে না আসা পর্যন্ত সিয়াম পালনে ও সালাত আদায়ে নিমগ্ন থাকে। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৫৯৬, মেশকাত, হাদিস: ৩৭৮৮)

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম