ঢাকা ০৫ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
৭ শর্ত না মানলে হরমুজ প্রণালি খুলবে না ইরান ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ‘গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে নয়, জনগণের সুরক্ষার জন্যই সাইবার সিকিউরিটি আইন’ ভুয়া ফেসবুক পেজ বন্ধে মাউশির ৭ দিনের আলটিমেটাম ভিসা থাকলেই ভারতে প্রবেশ করতে পারবে না বিদেশিরা: দিল্লি হাইকোর্ট সৌদিতে বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুথিদের হামলার নিন্দা জানাল বাংলাদেশ যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যব্যবস্থাসহ দেশের সব প্রতিষ্ঠানই বিধ্বস্ত: জামায়াত আমির ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নিজ দেশ জিম্বাবুয়েতে ফিরেও কাটছে না দুর্ভোগ

যে শর্ত মেনে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগীতায় যান প্রিয়াঙ্কা

#

বিনোদন ডেস্ক

০৯ জুলাই, ২০২৩,  4:53 PM

news image

‘দেশি গার্ল’খ্যাত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া বলিউড পাড়ি দিয়ে এখন হলিউডে কাজ করছেন। বিদেশে সংসার পেতেছেন। তবে শুরু তো ভারতীয় সিনেমার হাত ধরেই হয়েছিল। সেই ভারতীয় সিনেমায় তার স্বপ্নের শুরুটা নিয়ে মুখ খুলেছেন নায়িকার মা মধু চোপড়া। সম্প্রতি এক সাক্ষাত্‍কারে তিনি জানিয়েছেন, বিনোদন দুনিয়ায় নিজের ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কীভাবে মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। শুধু তাই নয়, প্রিয়াঙ্কার বাবা ছিলেন একজন রক্ষণশীল মানুষ। তার ঠিক কী প্রভাব পড়েছিল প্রিয়াঙ্কার ক্যারিয়ারে, সদ্য সেই নিয়েই সাক্ষাত্‍কারে কথা বলেছেন মা মধু চোপড়া। প্রিয়াঙ্কার মা জানিয়েছেন, নায়িকা হাই স্কুলে পড়ার সময়েই ১ বছর পড়াশোনা থেকে বিরতি নিয়েছিলেন। সেইসময়ে তিনি ‘মিস ইন্ডিয়া’ প্রতিযোগিতায় যোগদান করেন। সেসময়ে বস্টনে পড়াশোনা করছিলেন প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু ‘মিস ইন্ডিয়া’-তে যোগদান করার জন্যই ভারতে ফেরেন প্রিয়াঙ্কা। দুই দেশের পড়াশোনার ধারা এক্কেবারে আলাদা হওয়ার কারণেই একটা বছর পড়াশোনা থেকে বিরতি নিতে বাধ্য হয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। মা মধুর কথায়, ‘সবকিছু বদলে গেল যখন প্রিয়াঙ্কা খেতাবটা জিতল। এবার ওর ইচ্ছা ছিল মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় যোগদান করার। প্রিয়াঙ্কার বাবা বা ওর পরিবারের পক্ষে কেউই এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেনি। প্রিয়াঙ্কা পড়াশোনায় খুব ভাল ছিল। আর তাই কেউ চাননি ওর পড়াশোনার ক্যারিয়ারের কোনও ক্ষতি হোক। খুব কঠিন সময়ে প্রিয়াঙ্কা ওর দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষাটা দিয়েছিল।' প্রিয়াঙ্কার মা আরও জানান, প্রতিযোগীতায় যোগদান করার জন্য প্রিয়াঙ্কার বাড়ি থেকে তার ওপর একটা শর্ত দেওয়া হয়েছিল। কী সেই শর্ত? প্রিয়াঙ্কাকে বলা হয়েছিল, যদি প্রিয়াঙ্কা মা-বাবাকে সবসময়ের জন্য সঙ্গে রাখে, একমাত্র তবেই সে প্রতিযোগীতায় যেতে পারে। সেই শর্ত মেনেই প্রিয়াঙ্কা যোগ দিয়েছিলেন প্রতিযোগীতায়। জয়ও করেছিলেন। প্রিয়াঙ্কার বাবা ছিলেন রক্ষণশীল। পরিবারও ছিল তেমন। মেয়ের ভালোর জন্য সমস্ত কিছু করতে রাজি ছিলেন তিনি। মধু চোপড়া বলছেন, 'বিশ্বসুন্দরী হওয়ার পরে প্রিয়াঙ্কার প্রথম সাংবাদিক সম্মেলন দেখেই আমরা বুঝেছিলাম, ওর বড় কিছুর জন্য জন্ম হয়েছে। সাধারণ চিকিত্‍সক বা ইঞ্জিনিয়র হয়ে ওর জীবন কাটবে না। ওর জন্য বড় কিছু অপেক্ষা করছে।'

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম