ঢাকা ৩০ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
স্বাস্থ্যখাত ঢেলে সাজাচ্ছে সরকার, বিনামূল্যে প্রাথমিক সেবা পাবে তৃণমূলের মানুষ দেশের ১১ ভাগ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে : মির্জা ফখরুল বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার বুধবার ‘ব্যাংক হলিডে’, বন্ধ থাকবে লেনদেন এইচএসসি শুরু বৃহস্পতিবার, থাকবে সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭১৯ রাজনগরে সড়কে প্রাণ গেল মা-ছেলের তিস্তা প্রকল্পে ঢাকার পাশে বেইজিং, গভীর পর্যবেক্ষণে ভারত দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ

মুন্সীগঞ্জে হাসপাতালের ডাস্টবিনের পাশ থেকে নবজাতক কন্যাশিশু উদ্ধার

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ জুন, ২০২৬,  11:07 AM

news image

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাস্টবিনসংলগ্ন এলাকা থেকে গভীর রাতে একটি নবজাতক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। অজ্ঞাত ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা শিশুটিকে সেখানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে কান্নার শব্দ শুনে হাসপাতালের কর্তব্যরত নার্স ও রোগীর স্বজনরা শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসাসেবা দেন। সোমবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার বারান্দা থেকে নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনে কয়েকজন রোগীর স্বজন ও কর্তব্যরত নার্স নিচে নেমে আসেন। পরে হাসপাতাল চত্বরে ডাস্টবিনসংলগ্ন স্থান থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়া হয়।

কর্তব্যরত এক নার্স জানান, নবজাতকটির জন্ম হয়েছে অল্প কিছুক্ষণ আগে। তবে তার জন্ম গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, আশপাশের কোনো ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা অন্য কোথাও জন্মের পর শিশুটিকে হাসপাতালে এনে ফেলে রাখা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া শিশুটি একটি কন্যাশিশু। উদ্ধারের সময় সে প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত ছিল। বর্তমানে তাকে হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী আশিক বলেন, ব্রাজিলের খেলার প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার পর আমি ওই স্থানে গিয়েছিলাম। তখন সেখানে কোনো শিশু ছিল না। কিছুক্ষণ পর শুনতে পাই, সেখানে একটি নবজাতককে ফেলে রেখে গেছে। এ ঘটনায় হাসপাতাল এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কে বা কারা এবং কী কারণে নবজাতকটিকে সেখানে ফেলে গেছে, তা এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম