ঢাকা ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঈদুল ফিতরে মিলতে পারে টানা ১০ দিনের ছুটি মব কালচারের জমানা শেষ, সড়ক অবরোধ করলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্রুতই কৃষক কার্ড চালু করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের মতো কৃষক কার্ড বিতরণ করবে সরকার সেরা টি-টোয়েন্টি বোলিং পারফরম্যান্স মনোনয়নে শেখ মেহেদী লাভ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর ঘোষণা কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ প্রথমবারের মতো সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী ৬ সিটি করপোরেশনে নতুন প্রশাসক নিয়োগ নতুন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

মিয়ানমারের যা ঘটছে সেটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় : কাদের

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪,  2:04 PM

news image

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মিয়ানমারের যা ঘটছে সেটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে তাদের অভ্যন্তরীণ সংকট যেন আমাদের শঙ্কার কারণ না হয়। বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেব? আরাকান আর্মিরা তাদের দেশেরই সমস্যা। তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তারা দেখবে। তবে তাদের সমস্যার জন্য আমাদের এখানে কোনো শঙ্কা বা উদ্বেগ সৃষ্টি করুক, সেটা আমরা চাই না। এ বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিশেষ করে চীন এবং ভারতের সঙ্গে কথা বলছি। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতে গেছেন, সেখানেও অবশ্যই বিষয়টি উঠবে। তিনি বলেন, সংঘাত চলাকালে মিয়ানমার থেকে যারা পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। তাদের ফেরত পাঠানো হবে।

এ বিষয়ে দেশটির রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন, তারা তাদের লোকজনকে ফেরত নিয়ে যাবেন। সেতুমন্ত্রী বলেন, আমরা পদ্মা সেতু, মেট্রোরেলসহ অনেক ফ্লাইওভার, ব্রিজ ও রাস্তা করেছি। কিন্তু এগুলো যতই করি আমাদের সড়কে যদি নিরাপত্তা না থাকে। যদি পরিবহন এবং রাস্তায় শৃঙ্খলা না থাকে, তাহলে এসব প্রকল্পগুলোর সুফল দেশের মানুষ পাবে না। তিনি বলেন, রোড সেফটিতে দুর্নীতি কিছু নেই। এখানে বাজেটও খুব বেশি না। তারপরও যেহেতু জনগণের টাকা, তাই এখানে যদি কোনো দুর্নীতি হয় অবশ্যই আমরা এ ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেব। এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আন্দোলনে ব্যর্থ হওয়া, নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় বিএনপির মধ্যে চরম হতাশা কাজ করছে। এখন হতাশা কাটানোর জন্য তারা নানান কথা বলছে। কারণ, সরকারের বিরোধিতার জন্য কিছু না কিছু তো তাদের বলতে হবে। আর বললে, সরকারের খারাপই বলতে হবে। এমনকি সরকারের ভালো কাজকেও খারাপ বলতে হবে। কারণ, তারা এখন কোনো কিছুই ভালো চোখে দেখছে না। তারা হতাশার মধ্যে আছে। হতাশা থেকেই তাদের নানান আবোল-তাবোল উক্তি আসে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম