ঢাকা ০১ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস ব্রাজিলিয়ানরা বাংলাদেশকে ভালোবাসে, বললেন আলিসন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার শ্যামনগরে সমন্বিত পানি সম্পদ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড রাজধানীতে আরও ১৯ এআই ক্যামেরা চালু, এ পর্যন্ত মামলা দেড় হাজার স্বাস্থ্যখাত ঢেলে সাজাচ্ছে সরকার, বিনামূল্যে প্রাথমিক সেবা পাবে তৃণমূলের মানুষ দেশের ১১ ভাগ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে : মির্জা ফখরুল বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার

ব্যাংকে ফিরল ৪২৭৪ কোটি টাকা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ জানুয়ারি, ২০২৬,  11:08 AM

news image

দীর্ঘদিন আতঙ্কে ব্যাংক থেকে তুলে নেওয়া টাকা আবার ফিরছে ব্যাংকিং ব্যবস্থায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে মানুষের হাতে থাকা নগদ টাকা কমেছে প্রায় চার হাজার ২৭৪ কোটি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সেপ্টেম্বরে মানুষের হাতে নগদ টাকার পরিমাণ ছিল দুই লাখ ৭৪ হাজার ৭২৪ কোটি, যা অক্টোবরে নেমে এসেছে দুই লাখ ৭০ হাজার ৪৪৯ কোটিতে। একই সময় ছাপানো টাকা বা রিজার্ভ মানিও কমেছে প্রায় সাত হাজার ৩০৯ কোটি টাকা। বিগত সরকারের সময় অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে ব্যাংক খাতের ওপর মানুষের আস্থা মারাত্মকভাবে কমে গিয়েছিল। আতঙ্কে অনেকেই ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বাসায় রেখে দেন। এতে ব্যাংকগুলো তীব্র তারল্য সংকটে পড়ে এবং উচ্চ সুদ দিয়েও আমানত সংগ্রহে হিমশিম খেতে হয়। তখন প্রতি মাসেই মানুষের হাতে থাকা নগদ টাকার পরিমাণ বাড়ছিল। তবে গত বছরের আগস্টের পর থেকে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করে। বিশেষ করে গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মানুষের হাতে থাকা নগদ টাকা ধারাবাহিকভাবে কমে। মার্চে সাময়িকভাবে বাড়লেও এপ্রিল থেকে ওঠানামার মধ্য দিয়ে জুলাইয়ের পর আবার টানা কমছে। এ বিষয়ে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, মানুষের হাতে থাকা টাকা ব্যাংকে ফিরে আসা দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক খবর। কারণ ঘরে পড়ে থাকা টাকা বিনিয়োগে আসে না। ব্যাংকে গেলে সেই টাকা শিল্প, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানে কাজে লাগে। তিনি বলেন, এই আস্থা ধরে রাখতে হলে ব্যাংক খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি, ভুয়া ঋণ দেওয়া বন্ধ করা এবং পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে হবে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরো স্বচ্ছ হতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা শক্ত ও স্বচ্ছ না হলে ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, আগে কিছু সমস্যার কারণে মানুষ আতঙ্কে টাকা তুলে নিয়েছিল। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে, মানুষের ভয় কমছে এবং তারা আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, ব্যাংক খাতে মানুষের আস্থা ধরে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়ম-নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে। গ্রাহকদের আস্থা নষ্ট হয়- এমন কোনো কার্যক্রম গ্রহণ না করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।  সূত্র: কালের কণ্ঠ

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম