ঢাকা ০৬ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বিমান বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নওগাঁয় যানবাহনের কালো ধোঁয়া পরীক্ষা, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কিছু পাওয়া যায়নি জামদানি শাড়ি ও খোঁপায় বেলি ফুলের সাজে নজর কাড়লেন মায়াবতী পূর্ণিমা বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন এবার এশিয়ার বাজারও দখলে নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, রপ্তানির জোয়ার ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী লটারিতে বদলি, ১৮ সাব-রেজিস্ট্রারের তালিকা প্রকাশ এলপিজি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি নিশ্চিত করতে ডিসিদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় হত্যা মামলার প্রধান আসামি ধরা

ব্যাংকের অর্থ ধার নেওয়ার খরচ বাড়ছে

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ অক্টোবর, ২০২৩,  4:43 PM

news image

ব্যাংকের স্বল্প মেয়াদি অর্থ ধার নেওয়ার খরচ বেড়ে যাচ্ছে। সুদের হার বাড়ায় এ খাতে খরচও বাড়ছে। আগে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ২ থেকে ৪ শতাংশ সুদ ধার পেলেও এখন নিতে হচ্ছে ৬ থেকে সোয়া ৯ শতাংশ সুদে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ হার ১০ শতাংশও হচ্ছে।  স্বল্প মেয়াদি ধারের সুদ হার বাড়ায় ব্যাংকের তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয়ও বেড়ে যাচ্ছে। এর প্রভাবে বাড়াতে হচ্ছে ঋণের সুদের হার। বর্তমানে বেশির ভাগ ঋণের সুদ হার ডাবল ডিজিটের ওপরে বা ১০ শতাংশের বেশি।  সূত্র জানায়, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বিল পুনঃক্রয় চুক্তির (রেপো) মাধ্যমে অর্থাৎ আগের কেনা ট্রেজারি বিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পুনরায় বিক্রি করে ১ বা ৭ দিনের জন্য টাকা ধার নিতে পারে। এ ছাড়া এক ব্যাংক অন্য ব্যাংক থেকে এক দিনের জন্য কলমানি মার্কেট থেকেও ধার নিতে পারে।

এ ছাড়া স্বল্প মেয়াদি বিভিন্ন উপকরণের আওতায় এক ব্যাংক অন্য ব্যাংক থেকেও নিতে পারে ধার। এসব খাতে সুদের হার বেড়েছে।  এক বছর আগেও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কলমানি মার্কেট থেকে ২ শতাংশের কম সুদে ধার নিতে পারত। ছয় মাস আগে তা বেড়ে আড়াই থেকে তিন শতাংশ হয়েছে। এখন তা আরও বেড়ে সর্বনিম্ন সোয়া ৭ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ৮ শতাংশে ওঠানামা করছে। কলমানি মার্কেট থেকে স্বল্প মেয়াদি চাহিদা মেটাতে ব্যাংকগুলো প্রতিদিন গড়ে সাড়ে তিন হাজার থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা ধার করছে। গত রোববার এক দিনের জন্য ধার করেছে ৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া স্বল্প মেয়াদি ধারের বিভিন্ন উপকরণের মাধ্যমে ধার করেছে ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। এতে সুদের হার ছিল ৭ থেকে ১০ শতাংশ।  রেপোর সুদের হার আগে ছিল সাড়ে ৩ থেকে সাড়ে ৪ শতাংশ। এখন তা বেড়ে সোয়া ৭ শতাংশ হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধার নেওয়ার চাহিদা বেশি থাকলে এ হার আরও বাড়ে। ফলে এ হার সর্বনিম্ন সোয়া ৭ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ সোয়া ৯ শতাংশ উঠেছে। ওই সুদে গত বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ধার নিয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকা।   এ ছাড়া এক ব্যাংক অন্য ব্যাংক থেকে স্বল্প মেয়াদি ও দীর্ঘ মেয়াদি যেসব ধার নিচ্ছে সেগুলোর সুদের হারও বেড়েছে। আগে ৫ থেকে ৮ শতাংশ সুদে স্বল্প ও মধ্য মেয়াদি ধার পাওয়া যেত। এখন তা বেড়ে ৭ থেকে ১০ শতাংশে উঠেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা আরও বেশি। সূত্র : যুগান্তর 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম