ঢাকা ১১ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছাবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার হাম উপসর্গে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনছে সরকার আদ-দ্বীনের শোকজের জবাব প্রত্যাখ্যান, দ্রুতই আইনি ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে শীর্ষ শান্তিরক্ষী দেশ হিসেবে গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিকের পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে নতুন বই পুলিশের জন্য ১৮২ কোটি টাকার গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত সাভারে দেরিতে অফিসে ঢোকায় এসিল্যান্ডসহ ৭ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ট্রাক-মাহিন্দ্রা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ বকেয়া পৌরকর আদায়ে ১৫% সারচার্জ মওকুফের সুযোগ দিলো ডিএসসিসি

বিরাজমান শৈত্যপ্রবাহের আজও অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৬ জানুয়ারি, ২০২৬,  11:08 AM

news image

সারা দেশে আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিরাজমান শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ঈশ্বরদী ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে টেকনাফে ২৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃ ত রয়েছে। 

আবহাওয়া পর্যালোচনায়: ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। এছাড়া ৪ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে  তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে গণ্য হয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম