ঢাকা ০৩ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশ দূতাবাস ফ্রান্সের আয়োজনে প্যারিসে ৫৫তম মহান স্বাধীনতা-জাতীয় দিবস উদযাপন বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী সৌদি আরব আমির হামজার বিরুদ্ধে সমন জারি ‘যৌন নিপীড়ন’র অভিযোগ: জামিন পেলেন গায়ক জাহিদ অন্তু এক লাফে ৩৮৭ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম অবৈধভাবে মজুত করা ৩ লাখ ৭২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার এ বছর বর্ষায় রাজধানীর জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন সম্ভব নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক ১১ দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা জুনের মধ্যে ‘বাংলা কিউআর’ চালু না করলে জরিমানা করা হবে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

বিএনপি আগুন সন্ত্রাসের রাজনীতি শুরু করলে কঠোরভাবে দমন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯ অক্টোবর, ২০২৩,  2:05 PM

news image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারের পদত্যাগের আন্দোলন করে লাভ নেই। জনগণ আমাদের সাথে আছে, তারাই বড় শক্তি।বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবনে আয়োজিত ১৫০ সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, আন্দোলন করলে আপত্তি নেই, কিন্তু বিএনপি যদি আবার আগুন সন্ত্রাসের রাজনীতি শুরু করে তাহলে কঠোরভাবে দমন করা হবে। তিনি বলেন, এখন তারা নির্বাচন নিয়ে কথা বলে। অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচন; নানা কথা বলে। সেটা নিয়ে আমি এখন সমালোচনা করতে চাই না কারণ অনেকগুলো ভালো কাজ করেছি ভালো কথাগুলো বলে যেতে চাই কিন্তু এদের কথা এবং এদের কাজ সবই ধ্বংসাত্মক। এ ব্যাপারে দেশবাসীকে আমি সতর্ক করতে চাই। আজকে এই উন্নয়নগুলো ধ্বংস করুক সেটা আমরা চাই না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২৯ বছর যারা ক্ষমতায় ছিল তারা দেশকে কী দিয়েছে? তারা দেশের মানুষের জন্য কতটুকু করেছে? তারা দেশের কতটুকু উন্নতি করেছে, সেটাই হলো বড় প্রশ্ন। আওয়ামী লীগ যখনই সরকারে এসেছে, তখনই এ দেশের উন্নয়নে আমরা কাজ করেছি। তিনি বলেন, ২০০১ সালে সরকারে আসতে পারিনি। কারণ আমাদের গ্যাস অন্য দেশ কিনবে; আমি রাজি হইনি। খেসারত দিতে হয়েছে, ক্ষমতায় আসতে পারিনি। জনগণের ভোট পেয়েছিলাম কিন্তু চক্রান্তের শিকার হয়েছিলাম। তার পরে দেশটার অবস্থা কী হয়েছিল? বিএনপি-জামায়াতের দুঃশাসন, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, দুর্নীতি-অপশাসনের কারণে এ দেশে ইমার্জেন্সি ঘোষণা হয়। তারপর আসে আর্মি ব্যাকড তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তিনি আরও বলেন, সেই সময়টার কথা একবার চিন্তা করে দেখেন মানুষের কী দুরাবস্থা ছিল। ব্যবসা-বাণিজ্য করার কোনো সুযোগ ছিল না। বিএনপির আমল থেকে যে অত্যাচার নির্যাতন শুরু হয়েছিল এ দেশের মানুষের ওপর, তারই ধারাবাহিকতা চলতে থাকে। যা হোক একটা পর্যায়ে ২০০৮ সালে তারা নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়। এ সময় সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বাস-ট্রাক চালকদেরকে রাস্তায় প্রতিযোগিতা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ জন্য তাদেরকে মনস্তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ দিতে হবে। চালকের বিশ্রামের দিকে নজর দিতে মালিকদেরকে উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, একটানা গাড়ি না চালিয়ে বিশ্রাম নিতে হবে। গাড়ি চালাতে তেল-পেট্রল লাগে। যিনি গাড়িটা চালাবেন তারও তো তেল-পেট্রল ঠিক থাকতে হবে। তারও কিন্তু শরীর। মাথা যেন ঠিক থাকে সেদিকে নজর রাখতে হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম