NL24 News
০৯ মার্চ, ২০২৬, 10:48 AM
বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম, ব্যারেল প্রতি ছাড়াল ১০০ ডলার
বিশ্ববাজারে প্রায় ২০ শতাংশ দাম বেড়েছে জ্বালানি তেলের, যা ২০২২ সালের জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর পেছনে মূল কারণ ইরানের সঙ্গে মার্কিন ও ইসরায়েলের সংঘাত, যা সরবরাহ ব্যবস্থা আরও কঠোর করেছে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে দীর্ঘস্থায়ী ব্যাঘাতের আশঙ্কা তৈরি করেছে। সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ১৮.৩৫ ডলার বা ১৯.৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১১১.০৪ ডলারে পৌঁছেছে। আর মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের ফিউচারের দাম ১৫.২৭ ডলার বা ১৬.৮ শতাংশ বেড়ে ১০৬.১৭ ডলারে পৌঁছেছে। সেশনের শুরুতে এটি ২০.৩৪ ডলার বা ২২.৪ শতাংশ বেড়ে ১১১.২৪ ডলারে পৌঁছেছিল। গত সপ্তাহে ব্রেন্ট ২৭ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআই ৩৫.৬ শতাংশ বেড়েছে। ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী ভোক্তা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সপ্তাহ বা মাস ধরে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির মুখোমুখি হতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে সরবরাহকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত সুবিধার সঙ্গে লড়াই করছে, সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে এবং জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি বাড়ছে। শীর্ষ তেল রফতানিকারক দেশ সৌদি আরব লোহিত সাগর থেকে তেলের চালান বাড়াচ্ছে, তবে শিপিং তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী থেকে তেলের ঘাটতি পূরণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়। এএনজেডের সিনিয়র পণ্য কৌশলবিদ ড্যানিয়েল হাইন্স বলেন, তেলের দাম বেড়েছে, কারণ মধ্যপ্রাচ্যের উৎপাদকরা গুদামে তেল জমা হওয়ার কারণে উৎপাদন কমাচ্ছেন। যদি পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে তাদের তেলের কূপ বন্ধ করতে হয়, তাহলে শুধু উৎপাদন কমবে না, সংঘাত শেষ হলেও সরবরাহ পুনরায় স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। এর ফলে দাম দীর্ঘ সময় ধরে বেশি থাকবে। সূত্র : আল-জাজিরা ও রয়টার্স।