ঢাকা ২৫ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু ডিএনসিসি'র উদ্যোগে ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ভূমিকম্পের আঘাতের পর ভেনেজুয়েলায় ২০টির বেশি আফটারশক রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: আসামি পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ ভিসা নিয়ে সুখবর দিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ‘৫০ বছরে আ.লীগের ফিরে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ’ তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস চীনের প্রচলিত বাজেটের মডেলকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছি: অর্থমন্ত্রী দেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ মাদক ব্যবহার করছে ৪৩তম বিসিএস: নন ক্যাডারের ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

বাড্ডায় এক মাদ্রাসায় ‘ছারপোকার ওষুধ খেয়ে’ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩,  11:46 AM

news image

রাজধানীর মধ্য বাড্ডা লিংক রোডে একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ছারপোকা নিধনের কীটনাশক খেয়ে রিফাত খান (১৭) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। জামিয়াতুল বালাগ নামে মাদ্রাসাটির আরেক শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদ জানান, সকাল সাড়ে ৭টায় ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখেন, রিফাত ছটফট করছে। তার বুক জ্বালাপোড়া করছে বলে জানায় সে। তখন মাদ্রাসা শিক্ষকদের জানালে তারা প্রথমে স্বজনদের খবর দেন। পরে স্বজনদের সহযোগিতায় রিফাতকে আলসামি হাসপাতালে নেয়া হয়।

অবস্থার অবনতি দেখে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি আরও জানান, হাসপাতালে নেয়ার পথে রিফাত জানিয়েছে, সে ছারপোকা নিধনের কীটনাশক খেয়েছে। রিফাতের মা মাহমুদা রহমান জানান, তাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায়। রিফাতের বাবা আব্দুল মান্নান খান ব্যবসায়ী। দুই ভাইবোনের মধ্যে বড় রিফাত। পরিবারটি থাকে মধ্য বাড্ডায়। তিনি আরও জানান, গত সপ্তাহে তাদের বাসা থেকে ৩০ হাজার টাকা চুরি হয়। পরবর্তীকালে সেখান থেকে ২৬ হাজার টাকা পাওয়া যায়। এরপর আবার সেই ২৬ হাজার টাকা চুরি হয়। তখন রিফাতকে তার বাবা সন্দেহ করে মারধর করলে রিফাত জানায়, তার সঙ্গে থাকা জ্বিন তাকে দিয়ে টাকা চুরি করিয়েছে। এরপর সে ২৩ হাজার টাকা বাসা থেকেই বের করে দেয়। তখন তার বাবা তাকে আবার বকাঝকা করে। এরপর সে বাসা থেকে মাদ্রাসায় চলে যায়। আজ সোমবার সকালে মাদ্রাসা থেকে তিনি খবর পান, তার ছেলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সেখানে গিয়ে তিনি ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম