নিজস্ব প্রতিনিধি
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 12:53 PM
বাড়ির উঠানে দাদির, সরিষাক্ষেতে মিলল নাতনির বিবস্ত্র লাশ
পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদিকে কুপিয়ে হত্যার পর নাতনিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ-পরবর্তী হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার সকালে উঠান থেকে দাদি ও সরিষাক্ষেত থেকে নাতনির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতের কোনো এক সময় উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- ভবানিপুর উত্তরপাড়ার জয়নাল খাঁর মা সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও মেয়ে জামিলা আক্তার (১৫।জয়নাল খাঁ জীবিকার তাগিদে ঢাকায় অবস্থান করেন। বাড়িতে দাদি ও নাতনি একসঙ্গে বসবাস করতেন। স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, শুক্রবার মধ্যরাতে ওই বাড়ি থেকে হঠাৎ কান্নাকাটির শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে গিয়েছিলেন। তবে কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে যাওয়ায় তারা ফিরে যান। পরে ভোরে প্রতিবেশীরা বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। নাতনি জামিলাকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশের সরিষাক্ষেত থেকে তার বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান। তিনি জানান, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মধ্যরাতে দুর্বৃত্তরা নাতনিকে তুলে নিয়ে যেতে চাইলে দাদি বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা বৃদ্ধাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে কিশোরীকে পাশের সরিষাক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে রেখে যায়।’ খবর পেয়ে সকালে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কারা, কী কারণে তাদের হত্যা করল, পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা। জানতে চাইলে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।