ঢাকা ২৭ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
পদ্মা নদীতে বাস পড়ে যাওয়ার ঘটনায় দুই নারীর লাশ উদ্ধার কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার ১৫ শতাংশ গণমাধ্যমকর্মী: জরিপ পাঠ্যবইয়ে ফুটবল-ক্রিকেট-দাবাসহ ৭ খেলা যুক্ত করার নির্দেশ দেশের ১৮ তম অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল দেশে জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই: তথ্যমন্ত্রী ঈদ শেষে ফিরতি যাত্রায় নিরাপত্তায় জোর, অতিরিক্ত ভাড়া না নেওয়ার নির্দেশ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ, শুরু ১৫ এপ্রিল কক্সবাজারে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক খোরশেদ আলম খুন রূপগঞ্জে স্বামীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ জন লালমাইয়ে কুস্তি প্রতিযোগিতা চলাকালে মাঠে খেলোয়াড়ের মৃত্যু

বাংলাদেশের সিরিজ হার

#

স্পোর্টস ডেস্ক

০৮ জুলাই, ২০২২,  9:35 AM

news image

নিকোলাস পুরান ও কাইল মায়ার্সের ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশের বিপক্ষে জিতেছি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এতে টেস্টের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজটিও খোয়াল সফরকারীরা। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে আফিফ হোসেনের ফিফটি আর লিটন দাসের ৪৯ রানে ১৬৩ রান তোলে বাংলাদেশ দল। ১৬৪ রানে লক্ষ্য তাড়ায় নেমে বোলারদের ওপর চেপে বসে স্বাগতিকরা। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ফিফটির দেখা পেয়েছেন কাইল মায়ার্স আর অধিনায়ক নিকোলাস পুরান। এতে ৫ উইকেট আর ১০ বল হাতে রেখেই জয় পায় উইন্ডিজ। এর আগে  প্রথম ম্যাচ ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। দ্বিতীয় ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতেছিল ৩৫ রানের ব্যবধানে। দলের যখন ৯ রান, তখন ব্রেন্ডন কিংকে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন নাসুম আহমেদ। ৫ বলে ৭ রান করে আউট হন কিং। এরপর জুটি বাধেন কাইল মায়ার্স এবং সামারাহ ব্রুকস। দলীয় ২২ রানের মাথায় মাহদি হাসানের বলে সামারাহ ব্রুকসের দুর্দান্ত ক্যাচ ধরেন এনামুল হক বিজয়। ১২ বলে ১২ রান করে আউট হন ব্রুকস। এতে চাপে পড়ে

ক্যারিবীয়রা। সাত নাম্বার ওভারে বল করতে এসেই প্রথম বলেই ওডেন স্মিথকে  এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন সাকিব আল হাসান। এরপর কাইল মায়ার্স আর নিকোলাস পুরান মিলে ৮৫ রানের জুটি গড়ে স্বাগতিকদের ভালোভাবেই লড়াইয়ে ফিরিয়ে আনেন। ৩৮ বলে ৫৫ রান করে নাসুম আহমেদের বলে আউট হন মায়ার্স। এরপর রোভম্যান পাওয়েলকে লিটনের ক্যাচে পরিণত করেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। ৩৯ বলে ৭৪ রানে অপরাজিত থাকেন নিকোলাস পুরান। এর আগে টস জিতে ব্যাট কর‍তে নেমে ওপেনার লিটন দাস শুরুটা ভালো করে। তবে আরেক ওপেনার এনামুল হক বিজয় এদিনও সুবিধা করতে পারেননি। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে ওডিন স্মিথকে মিড উইকেট দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে আকিলের হাতে ধরা পড়ে ফেরেন ১১ বলে ১০ রান করে। সাকিব আল হাসানও রানের দেখা পাননি। নিজের খেলা তৃতীয় বলে আউট হন স্মিথের দারুণ এক ক্যাচে। ৫ রান করে ফেরেন সাকিব। এরপর আফিফ হোসেনকে নিয়ে দলকে টেনে তোলেন লিটন। পরে ৪১ বলে ৪৯ রান করে ফেরেন লিটন। এরপর অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে নতুন জুটি গড়ে হাত খুলে ব্যাট চালিয়ে খেলেন আফিফ। তাতে নিজের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি পেয়ে যান তিনি। ৪৯ থেকে দৌড়ে ২ রান নিতে গিয়ে রান আউটে কাটা পড়েন। এতে সমান ৫০ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এর ২ বল আগে আউট হন মাহমুদউল্লাহ। ২০ বলে ২২ রান আসে অধিনায়কের ব্যাট থেকে। শেষদিকে নুরুল হাসান সোহানের ২ এবং মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ৬ বলে ১০ রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ দল। ক্যারিবীয়দের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন স্পিনার হেইডেন ওয়ালশ।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম