ঢাকা ২৪ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু মেডিকেল কলেজে ৫০ ও জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইতিহাস গড়ে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে ষষ্ঠ স্থানে বাংলাদেশ দেশের বিমান খাত নিয়ে সরকারের বিশাল পরিকল্পনা তুলে ধরলেন বিমানমন্ত্রী রংপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা, কারণ জানাল পুলিশ রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু জানালা দিয়ে পানি চাইছিল দুই শিশু, তালা ভেঙে মিলল মায়ের মরদেহ ফেসবুকে শিক্ষকদের সরকারবিরোধী পোস্ট মনিটরিংয়ে নতুন নিয়ম গ্যাসের অভাবে বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা, নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি

বরগুনায় জোড়া লাগানো কন্যা সন্তানের জন্ম

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৮ জুন, ২০২৩,  7:52 AM

news image

ছবি- সংগৃহীত


বরগুনায় জোড়া লাগানো দুই কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক প্রসূতি মা। চিকিৎসক জানান, মা সুস্থ থাকলেও শিশুদের দ্রুত উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। গতকাল বুধবার দুপুরে বরগুনার একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে শিশু দুটির জন্ম হয়। প্রসূতির নাম মাহামুদা বেগম (৩৪)। তিনি বরগুনার বেতাগী উপজেলার মধ্য কাজিরাবাদ এলাকার বাদশা মিয়ার স্ত্রী।  মাহামুদা বেগমের পরিবার জানায়, রোজার ঈদের দুইদিন পর মাহমুদার আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হয়। ওই সময় রিপোর্টে জমজ বাচ্চার কথা বলা হয়। তবে শিশু দুটির যে জোড়া লাগানো সেটি বলা হয়নি। বুধবার রাতে প্রসব বেদনা শুরু হয় মাহমুদার। এদিন সকালে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপুরে সিজার অপারেশনের মাধ্যমে শিশু দুটির জন্ম হয়। এদিকে, জোড়া শিশু জন্মের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে লোকজন শিশু দুটিকে দেখতে হাসপাতালে ভিড় জমান। প্রত্যক্ষদর্শী মো. রাসেল বলেন, এরকম ঘটনা এর আগে ইন্টারনেটে দেখেছি। আজ এই প্রথম সরাসরি দেখলাম। বাচ্চা এবং তার মায়ের জন্য দোয়া রইল, আল্লাহ যেন তাদের সুস্থ রাখেন। মাহমুদার ভাই তরিকুল ইসলাম বলেন, রাতে বোন অনেক অসুস্থ হওয়ায় বুধবার সকালে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। পরে দুপুরের দিকে ডাক্তার সিজার করেন। জমজ সন্তানের কথা আগেই জানতাম। তবে জোড়া লাগানোর বিষয়টি জানা ছিল না। তিনি আরও বলেন, আমার বোন সুস্থ আছেন। তবে ডাক্তার দ্রুত বাচ্চা দুটিকে ঢাকা নিয়ে চিকিৎসা করাতে বলেছেন। চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। আমরা সবার সহযোগিতা চাই।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম