ঢাকা ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
কমলো এলপি গ্যাসের দাম নতুন আইজিপি আলী হোসেন ফকির সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর ১০ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে প্রবাসীদের মরদেহ বিনা খরচে দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: মা-ছেলের পর চলে গেলেন চাচাও বান্দরবানে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৬ শিক্ষার্থী-কর্মচারীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন ৯ এপ্রিল ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রির তারিখ ঘোষণা যোগ দিলেন দেশের ৬ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক

বন্যায় ডুবতে পারে আরও ১৭ জেলা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৮ জুন, ২০২২,  3:05 PM

news image

ভারতের মেঘালয় ও আসামে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যা দেখা দিয়েছে বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায়। এর মধ্যে সিলেট ও সুনামগঞ্জের অবস্থা চরম খারাপের দিকে। ক্রমাগত বৃষ্টিপাতের ফলে দেশের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে বলে সতর্ক করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বলছে, আগামী দুই দিনের মধ্যে উত্তরাঞ্চল ও দেশের মধ্যাঞ্চলের আরও ১৭টি জেলা বন্যায় আক্রান্ত হতে পারে। কারণ এসব এলাকায় বন্যার তীব্রতা বাড়ছে, নদীগুলোর পানি আরও বাড়তে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। এতে প্রায় দেশের ৩৫ লাখ মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। 

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান ভুঁইয়া বলেন, সিলেট, সুনাগমঞ্জ এলাকায় আজ শনিবার এবং আগামীকালও বৃষ্টি হবে। ফলে সেসব এলাকার বন্যার পানি আরও বাড়তে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। সেই সঙ্গে যমুনা নদীর পানিও বাড়তে শুরু করেছে।''বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় তা দেশের কুড়িগ্রাম, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা থেকে প্রবেশে করে আরও এগিয়ে আসছে। ফলে জামালপুর, বগুড়া, শেরপুর, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, লালমনিরহাট, নীলফামারি ও পাবনায় বন্যা ছড়িয়ে পড়তে পারে। এছাড়া নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে বন্যা ছড়িয়ে পড়তে পারে। বন্যার পানি আরও নীচের দিকে নেমে এলে রাজবাড়ী, ফরিদপুর, শরীয়তপুর ইত্যাদি এলাকা প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় চেরাপুঞ্জিতে আরও ৫৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। গত তিনদিনে এখানে প্রায় আড়াই হাজার মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আসামে বৃষ্টি হতে পারে অন্তত ৩০০ মিলিমিটার। এসব এলাকার বৃষ্টির পানি বাংলাদেশের সিলেট ও কুড়িগ্রাম দিয়ে নেমে আসবে। ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে গত বৃহস্পতিবার ৯৭২ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা ১২২ বছরের মধ্যে রেকর্ড। মেঘালয় ও আসামে বৃষ্টি না কমে যাওয়া পর্যন্ত বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আশা দেখছেন না আবহাওয়াবিদরা।-সূত্র: বিবিসি বাংলা।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম