NL24 News
১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, 12:53 PM
ফরিদপুরের মিরান শেখকে হত্যা মামালায় প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০
ফরিদপুর প্রতিনিধি: র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। সন্ত্রাসবাদ, হত্যা, মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও সংঘবদ্ধ অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে র্যাব জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। অপরাধ দমনে র্যাবের নিরলস প্রচেষ্টা দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১০ গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে। ফরিদপুরের কোতয়ালী থানায় ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে মিরান খান (৩৮) নামের এক ব্যক্তিকে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয় ঘটনাটির পর র্যাব-১০, সিপিসি-৩ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি অভিযানে। মামলার প্রধান আসামি মো. তন্ময় শেখ (৩০)’কে গ্রেফতার করা হয়। গত ২৪ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ রাত অনুমান ০০.২৫ ঘটিকার সময় কৌশলে মিরান খানকে গদাধরডাঙ্গী নদীর ওপারে সাইনবোর্ড গুচ্ছগ্রামে তার বাড়িতে ডেকে নেয় তন্ময় শেখ ও তার সহযোগীরা। সেখানে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তারা মিরানের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
তন্ময় শেখের নির্দেশে সহযোগীরা তাকে বেধড়ক পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম* করে। ভিকটিম মাটিতে পড়ে গেলে আসামি তন্ময় শেখ তার হাতে থাকা কাটা চামচ দিয়ে ভিকটিমের বুকের উপর চড়ে বসে ভিকটিমের দুই চোখ স্বজোরে কুপিয়ে চোখ উঠিয়ে নেয়।পরবর্তীতে হাত বেঁধে বিবস্ত্র অবস্থায় কাছাকাছি সাইনবোর্ড গুচ্ছগ্রাম মসজিদের মাঠে ফেলে রেখে যায়।পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে মিরান খানকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের মা ০৫ ফেব্রয়ারি ২০২৫ তারিখ কোতয়ালী থানায় হত্যা মামলা (মামলা নং- ১৪, ধারা- ৩০২/৩৪ পেনাল কোড, ১৮৬০) দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব-১০, ঢাকা বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। র্যাব-১০, সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল অদ্য ১০/১২/২০২৫ তারিখ রাত অনুমান ১৯.৪০ ঘটিকার সময় ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন গেরদা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডস্থ জয়নালের মোড় হতে* চাঞ্চল্যকর নৃশংস হত্যাকান্ডের প্রধান আসামি মো: তন্ময় শেখ (৩০),* পিতা- ওমর শেখ, সাং- পূর্ব আলিয়াবাদ, থানা- কোতয়ালী, জেলা- ফরিদপুর’কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।