ঢাকা ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: নেতিবাচক পুলিশ প্রতিবেদনে বাদ ২৫০০, প্রার্থীরা ক্ষুব্ধ যুক্তরাষ্ট্রে ‘নরইস্টার’-এ বিপর্যস্ত জনজীবন, জরুরি অবস্থা জারি সাগর আছে সম্ভাবনাও আছে মধ্যরাতে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ, পুলিশ বলছে ‘গুজব’ জয়ে শুরু ভিয়েতনামের, অধিনায়কের চোটে দুশ্চিন্তা নড়াইলে মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় কৃষককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ বায়ুদূষণে শীর্ষে আদ্দিস আবাবা, ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’ জেনে নিন ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে ১০টি তথ্য

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: নেতিবাচক পুলিশ প্রতিবেদনে বাদ ২৫০০, প্রার্থীরা ক্ষুব্ধ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,  11:23 AM

news image


সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। ভেরিফিকেশন বা প্রশাসনিক যাচাই-বাছাইয়ের পর বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর নাম নিয়োগপত্রের তালিকায় না থাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা। 


‘কেন্দ্রীয় প্যানেল প্রাইমারি ২০২৫’ নামে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের একটি প্ল্যাটফর্ম বাদ পড়া প্রত্যেক প্রার্থীর নথি পুনর্যাচাই, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে। 


বাদ পড়া প্রার্থীর সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রার্থীদের একটি প্ল্যাটফর্মের দাবি, এ সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার। অন্য একটি হিসাব অনুযায়ী, এ সংখ্যা ২ হাজার ২০০-এর বেশি।


এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, নিয়োগপত্র নিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। ১ অক্টোবর পর্যন্ত কেউ নিয়োগপত্র না পেলে পরবর্তী সময়ে যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ভেরিফিকেশন বা ভেটিং একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।



সমকালের অনুসন্ধানে জানা গেছে, মূলত চার কারণে নিয়োগে প্রার্থীদের নাম বাদ পড়েছে– পুলিশ/গোয়েন্দা সংস্থার যাচাই-বাছাই প্রতিবেদন নেতিবাচক, ডোপ টেস্টে সমস্যা, স্বাস্থ্য সনদ না থাকা ও শিক্ষা সনদে গরমিল থাকা। তবে যাচাই-বাছাই প্রতিবেদন নেতিবাচক থাকার সংখ্যাই বেশি। 


যদিও এ নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কেউ মুখ খুলতে চাননি। তবে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন গতকাল শনিবার এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমরা লক্ষ্য করছি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর নিয়োগপত্র প্রাপ্তি নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।’


তিনি আরও লেখেন, এর পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে, ১ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কেউ নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকলে তা পরবর্তী সময়ে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র প্রেরণ করা হবে।


এর আগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রায় আড়াই হাজার প্রার্থীর বাদ পড়া নিয়ে গতকাল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন মন্ত্রী। মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিয়োগপত্র প্রাপ্তি বিষয়ে বিভিন্ন মিডিয়া ও সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।


বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহার, অতিরিক্ত সচিব মনোয়ারা ইশরাত, অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আগামীকালের মধ্যে পদক্ষেপ চান প্রার্থীরা

চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের প্ল্যাটফর্মটি গত শুক্রবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, দীর্ঘ আট মাস অপেক্ষার পর নিয়োগপত্র না পাওয়ায় অনেক প্রার্থী আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়েছেন। তাদের প্রথম দাবি– ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রত্যেক প্রার্থীর নথি অবিলম্বে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও পুনর্যাচাইযোগ্য প্রক্রিয়ায় আবার যাচাই করতে হবে।


দ্বিতীয়ত, তথ্যগত ভুল বা অসংগতির শিকার প্রার্থীদের নিজেদের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ এবং প্রশাসনিক আপিলের ব্যবস্থা করতে হবে।


তৃতীয়ত, কোনো দপ্তর বা কর্মকর্তার গাফিলতি, ভুল তথ্য কিংবা প্রশাসনিক ত্রুটির কারণে কোনো প্রার্থী বাদ পড়ে থাকলে তা সংশোধন করে নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

চতুর্থ দাবিতে আগামীকাল ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত অথচ নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।


পঞ্চমত, পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কেন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে এবং কীভাবে এতসংখ্যক সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী বাদ পড়লেন, তার সুস্পষ্ট ও দায়িত্বশীল ব্যাখ্যা জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা।


বাদ পড়া প্রার্থীরা বলছেন, তারা অযোগ্য বা অনিয়মকারী কারও নিয়োগ চান না; বরং যাদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ও যাচাইযোগ্য কারণ নেই, তাদের ক্ষেত্রে পুনর্যাচাই এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ চান। 


মন্ত্রণালয় বলছে, ভেরিফিকেশন নিয়োগ প্রক্রিয়ার নিয়মিত অংশ এবং নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


১৫ জেলায় ৩৫১ জন বাদ পড়ার তথ্য

২৪ সেপ্টেম্বর থেকে বিভিন্ন জেলায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত সহকারী শিক্ষকদের নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়। এর পরই কয়েকটি জেলার প্রার্থীরা অভিযোগ করেন, চূড়ান্ত ফলাফলে নাম থাকা সত্ত্বেও নিয়োগপত্রের তালিকায় তাদের নাম নেই।


প্রার্থীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চাঁদপুরে ২৭, মুন্সীগঞ্জে ৩, শরীয়তপুরে ৬, সাতক্ষীরায় ২, ঝালকাঠিতে ১২, লক্ষ্মীপুরে ২, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৪, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭, পাবনায় ৩৫, রাজবাড়ীতে ১৫, ফরিদপুরে ১২, বগুড়ায় ৪৮, সুনামগঞ্জে ১২০, কুষ্টিয়ায় ১৬ ও মানিকগঞ্জে ২২ জন নিয়োগপত্র পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব জেলায় পাওয়া তথ্য যোগ করলে ৩৫১ জনের কথা আসে। তবে এটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি হিসাব নয়। অন্যান্য জেলায়ও বাদ পড়ার অভিযোগ রয়েছে। সমকালের প্রতিনিধিদের প্রতিবেদনে সারাদেশে এ সংখ্যা আরও বেশি হওয়ার তথ্য মিলেছে।


জেলা পর্যায়ের কয়েকজন শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন না বলে জানিয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছ থেকেও বাদ পড়ার কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


রাহুলের আনন্দ বদলে গেছে হতাশায়

নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের একজন সিলেটের বানিয়াচংয়ের রাহুল দাস। কবি নজরুল সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের এই সাবেক শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর পরিবারের কাছে খবরটি জানিয়ে তিনি আশাবাদী হয়েছিলেন।


সামাজিক মাধ্যমে রাহুল লিখেছেন, ‘যে মুখ দিয়ে মাকে বলছিলাম– মা, প্রাইমারিতে চাকরি হয়ে গেছে; সেই মুখ দিয়ে এখন মাকে কীভাবে বলব– মা, ভেরিফিকেশনে আটকাই দিছে।’


বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জাহিদেরও নিয়োগ হয়নি

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার মো. জাহিদ হাসানও একই পরিস্থিতির মুখোমুখি। সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ৮৩ জনের মধ্যে তাঁর মেধাক্রম ছিল ৫৪তম। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন এই প্রার্থীও নিয়োগপত্র পাননি।


জাহিদ জানান, নিয়োগপত্র না পাওয়ার খবর শুনে তাঁর মা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। অসুস্থ বাবা বিষয়টি শুনে স্তব্ধ হয়ে গেছেন। 

জাহিদের ভাষ্য, তাঁর কোনো রাজনৈতিক পদ নেই এবং কোনো মামলাও নেই। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রার্থী হিসেবে সুযোগ পাওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তিনি ভেরিফিকেশন পুনরায় যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন।


নিয়োগ প্রক্রিয়ার শুরু যেভাবে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর লিখিত পরীক্ষা ৯ জানুয়ারি ২০২৬ দেশের ৬১ জেলায় অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল।


এরপর ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটেও ওই ফল প্রকাশের তথ্য রয়েছে।


চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের যোগদান ও পদায়নের জন্য ১ অক্টোবরকে গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচিত শিক্ষকদের ১ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদানের পর ৪ অক্টোবর পদায়নের আদেশ দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে।


মন্ত্রণালয় বলছে, পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে

এদিকে গতকাল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১ অক্টোবর পর্যন্ত কোনো উত্তীর্ণ প্রার্থী নিয়োগপত্র না পেলে তাঁর বিষয়টি পরবর্তী সময়ে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র পাঠানো হবে। একই বক্তব্য শিক্ষামন্ত্রীর সামাজিক মাধ্যমের পোস্টেও এসেছে।


তবে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের বড় প্রশ্ন, চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর তাদের নাম কেন বর্তমান নিয়োগপত্রের তালিকায় নেই এবং তাদের বিরুদ্ধে ভেরিফিকেশনে কী ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর প্রকাশ্যে আসেনি।


জেলায় জেলায় ক্ষোভ-হতাশা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলায় ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। খুলনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও যশোরে শত শত প্রার্থী নিয়োগের দাবিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন।


সমকালের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, খুলনায় সুপারিশ পাওয়া ৬৯ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। সুনামগঞ্জে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ যাচাইকালে বাদ পড়েছেন ১২০ জন। মৌলভীবাজারে সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে বাদ পড়েছেন ৬৭ জন। নাটোরে প্রাথমিকে চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েও নিয়োগপত্র পাননি প্রতিবন্ধীসহ ৩৪ প্রার্থী।


খুলনা ব্যুরো জানিয়েছে, খুলনায় ২৭৫ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হলেও ২৬৫ জন কাগজপত্র জমা দেন। এর মধ্যে ১৯৬ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন; ৬৯ জন পাননি। তাদের মধ্যে মেধাক্রমে দ্বিতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম হওয়া প্রার্থীও রয়েছেন। পাইকগাছায় ৪৬ সুপারিশপ্রাপ্তের ১৯ জন নিয়োগপত্র পাননি।


সুনামগঞ্জে ৬১৭ জনের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্নের জন্য সুপারিশ পাঠানো হলেও সর্বশেষ যাচাইয়ে ১২০ জনকে বাদ দেওয়া হয়েছে। গতকাল এসব প্রার্থী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। মৌলভীবাজারে ৩৪৭ সুপারিশপ্রাপ্তের মধ্যে ৬৭ জন এবং যশোরে ২৯০ জনের মধ্যে ১০৬ জন নিয়োগপত্র পাননি।


খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ অহিদুল আলম বলেন, কেউ নিয়োগবঞ্চিত হননি; কেউ আগে, কেউ পরে নিয়োগপত্র পাবেন। বিষয়টি মহাপরিচালকের দপ্তরে জানানো হয়েছে। সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সূত্র : দৈনিক সমকাল 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম