ঢাকা ০৭ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বড়াল প্রেসক্লাব বড়াইগ্রাম নাটোর এর উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল আরও ৭ জেলায় ‘ই-বেইলবন্ড’ চালুর উদ্যোগ বিএনপির সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার শেষ দিনের কর্মসূচি শুরু কাল থেকে নতুন পদ্ধতিতে তেল বিক্রি ঈদের ছুটিতে ৪ জেলায় যাবে জাকসুর বিশেষ বাস ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া সংকটের গুজবে তেলের পাম্পে দীর্ঘ ভিড় রোজায় পানির গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস আজ নরসিংদীর শিবপুরের অবৈধভাবে মাটি খনন করার অপরাধে দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস আজ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ মার্চ, ২০২৬,  10:56 AM

news image

আজ তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস। ২০০৭ সালের এই দিনে তৎকালীন সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই ঘটনার দুই দশক পূর্ণ হওয়ায় দিনটিকে স্মরণ করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ২০০৭ সালের ৭ মার্চ রাজধানীর বাসা থেকে তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে বিভিন্ন মামলায় তাকে একাধিক দফা রিমান্ডে নেওয়া হয়। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, রিমান্ডে থাকাকালে নির্যাতনের শিকার হন তিনি, যার ফলে গুরুতর শারীরিক ক্ষতির মুখে পড়েন। বিএনপির ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন সরকার রাজনৈতিকভাবে দলটিকে দুর্বল করতে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করে। গ্রেপ্তারের পর প্রায় ১৮ মাস কারাগারে ছিলেন তারেক রহমান। পরে ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, ১/১১–এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দায়ের করে। তাদের মতে, এসব মামলার বেশিরভাগই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দিবসটি উপলক্ষ্যে বিএনপি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দলটির কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও স্মরণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করছেন। বিএনপি নেতারা বলেন, রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও তারেক রহমান দলের নেতৃত্ব ধরে রেখেছেন। দলের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তারা। তাই কারাবন্দী দিবসটি বিএনপির কাছে শুধু একটি স্মৃতির দিন নয়, বরং রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম