ঢাকা ২৭ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বিদেশি নাগরিকদের জরুরি সতর্কবার্তা দিলো মার্কিন দূতাবাস টানা দুই দফা কমার পর স্বর্ণালংকারের দামে বড় লাফ মমেক হাসপাতালে হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্প হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭ বাংলাদেশি মাঝরাতে কাটাবনের বহুতলভবনে আগুন, নিহত ২ মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি পাগলা মসজিদে এবার মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

পাগলা মসজিদে এবার মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ জুন, ২০২৬,  11:03 AM

news image

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩ টি দানবাক্স খুলে এবার পাওয়া গেছে ৪৩ বস্তা টাকা। এখন চলছে গণনা।  


দীর্ঘ ছয় মাস পর আজ শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টার দিকে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। দানের পরিমাণ এবার অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।


দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এরশাদুল আহমেদের তত্ত্বাবধানে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব উপস্থিতি ছিলেন।


দানবাক্স থেকে টাকাগুলো প্রথমে বস্তায় ভরে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নেওয়া হয়। সেখানে মেঝেতে ঢেলে শুরু হয় গণনা।


টাকা গণনায় অংশ নিয়েছেন পাগলা মসজিদ-সংলগ্ন মাদ্রাসার ১১০ জন, আল-জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদ্রাসার ৩০০ জন শিক্ষার্থী, মসজিদের ৩৩ জন কর্মচারী, রূপালী ব্যাংকের ১৩০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।


জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেন, এবার দানবাক্স খুলে ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এখন গণনা চলছে। গণনা শেষ হলে মোট দানের পরিমাণ জানানো হবে।


অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব বলেন, দানবাক্স খোলা থেকে শুরু করে টাকা গণনা এবং ব্যাংকে পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।


এর আগে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর দানবাক্স খুলে ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। তখন ৩ মাস ২৭ দিনে দানবাক্সে জমা হয়েছিল ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এছাড়া পাওয়া যায় বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা ও রুপা।


কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ।


পাগলা মসজিদ ও ইসলামী কমপ্লেক্স পরিচালনার জন্য ৩১ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি রয়েছে। কমিটিতে জেলা প্রশাসক সভাপতি এবং কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র/প্রশাসক সাধারণ সম্পাদক। 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম