ঢাকা ১৯ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
কলকাতায় হোটেলে ভয়াবহ আগুনে ৯ বাংলাদেশি নিহত উপসাগরে নতুন উত্তেজনা, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে মুখোমুখি ইরান-আমিরাত ডিএমপির অভিযানে গ্রেফতার ৪৮৩, মামলা ৫৯ চার দিনের ব্যবধানে দুইবার মাঠে লুটিয়ে পড়লেন মুসিয়ালা বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য, বেড়েছে রাজস্ব আয় কমানো হলো দ. কোরিয়ার সাথে মহড়ার সময়সীমা ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্থগিত করল আরব আমিরাত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে ইরান? কোরআনে মানবিক মূল্যবোধের নানা দিক শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে কাঠগড়ায় মেটা, ক্যালিফোর্নিয়ার আদালতে বিচার শুরু

পাকিস্তানে অজ্ঞাত হামলায় ৩০ লস্কর সদস্য নিহত, কমান্ডারের স্বীকারোক্তি

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৪ আগস্ট, ২০২৬,  11:06 AM

news image

এনডিটিভির প্রতিবেদন

গত ৩ থেকে ৪ বছরে পাকিস্তানে অজ্ঞাত বন্দুকধারীর গুলিতে ৩০ জনেরও বেশি লস্কর–ই–তাইয়েবার সদস্য নিহত হয়েছেন। পাকিস্তানভিত্তিক নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন লস্কর–ই–তাইয়েবার অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার রিজওয়ান হানিফ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে এ কথা স্বীকার করেছেন। জঙ্গী সংগঠনগুলোর এ ধরনের স্বীকারোক্তি বিরল।


গত মে মাসের কোনো এক সময় পাকিস্তানের অজ্ঞাতস্থানে এই ভিডিওটি ধারণ করা হয়। তবে এটি প্রকাশ্যে আসে আগস্টে। ভিডিওতে লস্কর–ই–তাইয়েবার পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর অঞ্চলের ডেপুটি কমান্ডার রিজওয়ান হানিফকে একটি ছোট সভায় বক্তৃতা দিতে দেখা যায়।


ভিডিওতে বোঝা যায়, এটি লস্কর–ই–তাইয়েবার সাংগঠনিক কোনো সভা। ভিডিওটিতে রিজওয়ান দাবি করেন, গত ৩ থেকে ৪ বছরে পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় তাদের সদস্যরা অজ্ঞাত বন্দুকধারীর হামলার শিকার হয়েছেন। রিজওয়ান জানান, পেশোয়ার, করাচি, রাওয়ালপিন্ডি, রাওয়ালকোট এবং মুজাফফরাবাদে এসব হামলায় লস্কর–ই–তাইয়েবার ৩০ জনেরও বেশি সদস্য নিহত হয়েছে।


রিজওয়ান হানিফ দাবি করেছেন যে, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এই টার্গেটেড কিলিং বা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটিয়েছে। তবে ভারত এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। পাকিস্তান সরকার অবশ্য এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি। 


লস্কর–ই–তাইয়েবাকে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ও বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার পেছনে লস্কর–ই–তাইয়েবার হাত ছিল, যাতে ১৬৬ জন মানুষ নিহত হন। আল-কায়েদা এবং তালেবানের সাথে সম্পর্ক থাকার কারণে ২০০৫ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা পাওয়া লস্কর–ই–তাইয়েবার সাথে যুক্ত কোনো সন্ত্রাসী এই প্রথমবার প্রকাশ্যে এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করল।


ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেছে এবং নিশ্চিত করেছে যে, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিটি শীর্ষ লস্কর সন্ত্রাসী রিজওয়ান হানিফ, যাকে ভারত খুঁজছে। ভিডিওটিতে রিজওয়ান হানিফকে আপত্তিকর ও ঘৃণামূলক ভাষা ব্যবহার করতেও শোনা গেছে।


ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত কমোডর ডিএস সোধী বলেছেন, তার (রিজওয়ান) বক্তব্যে এটা পরিস্কার যে হত্যাকাণ্ডগুলো পাকিস্তানের মাটিতে ঘটেছে। এর সাথে ভারতের সম্পৃক্ততার কোনো সুযোগ নেই। জঙ্গী সংগঠনগুলোর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে পাকিস্তানের কেউই এ কাজ করতে পারে। তিনি এ ঘটনাকে প্রকৃতির বিচার বলে অভিহিত করেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম