ঢাকা ০২ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
অনৈতিক প্রস্তাবে অতিষ্ঠ হয়ে রুমমেটকে ৭ টুকরা, পুলিশের লোমহর্ষক বর্ণনা হরমুজ প্রণালি বন্ধ, যে প্রভাব পড়বে বলছেন বিশ্লেষকেরা ব্যবসায়ীর বাসায় গুলির ঘটনায় জড়িতদের ‘চিহ্নিত করা গেছে’ করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের কাছে বিক্ষোভ-সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৯ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: প্রবাসীদের খোঁজখবর নিলেন প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে ৯৭৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, তালিকা প্রকাশ ইরানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলায় নিহত বেড়ে ১৪৮ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অর্থমন্ত্রী রিজিকের সঙ্গে শেষ দেখা হলো না মা ইকরার এবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধান নিহতের তথ্য নিশ্চিত করল ইরান

পাকিস্তানিদের ওপর চেয়ার নিক্ষেপ আফগান সমর্থকদের

#

স্পোর্টস ডেস্ক

০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  10:25 AM

news image

টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে আফগানদের কাঁদিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করলো পাকিস্তান। এশিয়া কাপের এবারের আসরে ফাইনালে বাবর আজমদের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। যদিও ফাইনালের আগে সুপার ফোর পর্বের শেষ ম্যাচেও মুখোমুখি হবে এই দুই দল। বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) ব্যাট হাতে আফগানিস্তান আগে ব্যাটিং করে ৮ উইকেটে ১২৯ রান করে। রান তাড়া করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে পাকিস্তান। ম্যাচ একবার আফগানদের দিকে হেলে আরেকবার পাকদের দিকে। ফারুকি-রশিদরা দারুণ বোলিং করে ভীষণ চাপে রেখেছিলেন পাকিস্তানকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি হাতছাড়া হয়ে যায় শেষ ওভারের প্রথম দুই বলে নাসিমের দুই ছক্কায়। ১ উইকেটে জিতে এশিয়া কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করে পাকিস্তান। সেই সুবাদে এশিয়া কাপে বিদায়ঘণ্টা বেজে যায় ভারত ও আফগানিস্তানের।

এদিকে ম্যাচ জয়ের খুব কাছে গিয়েও এভাবে একজন বোলারের কাছে হারটা যেন কোনোভাবেই মানতে পারেননি গ্যালারিতে বসে থাকা আফগান সমর্থকরা। ম্যাচশেষে চেয়ার তুলে তারা হামলে পড়েন পাক সমর্থকদের ওপর। নিজ দেশের সমর্থকদের ওপর আক্রমণের একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট করে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় সাবেক পাক পেসার শোয়ে আখতারকে। ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, আফগান ভক্তরা এটা কী করছে? এটা তারা অতীতে একাধিকবার করেছে। এটি একটি খেলা এবং এটি সঠিক মেজাজে পরিচালিত হওয়া উচিত অবশ্য দ্বন্দ্বটা শুরু হয়েছিল মাঠেই। আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয়ের জন্য পাকিস্তানের তখন প্রয়োজন ছিল ৮ বলে ১২ রান। উইকেটে ছিলেন একমাত্র জাত ব্যাটার আসিফ আলি। বাবর বাহিনীকে জেতাতে হলে, তখন তিনিই শেষ ভরসা। এমন সময়ে আফগান পেসার ফরিদ আহমেদের বলে শর্ট ফাইন লেগে ধরা পড়েন আসিফ। পাক এ ব্যাটার ভালো করেই জানতেন, তিনি আউট হলে ম্যাচ জেতানোর মতো আর কোনো জাত ব্যাটার ক্রিজে থাকবেন না। তাই নিজের ওপরই হয়তো তার রাগ হচ্ছিল। ম্যাচের এমন উত্তেজনাকর মুহূর্তে আউট হয়ে মেজাজটা আর ধরে রাখতে পারলেন না আসিফ। এমন মুহূর্তে উইকেট পেয়ে আসিফের সামনে এসে কিছু একটা বলেন ফরিদ। সেটা শুনে আসিফ মেজাজ হারান, ব্যাট উঁচিয়ে আফগান পেসারকে মারতে যান। পরে আরেক আফগান ফিল্ডার এসে সরিয়ে নেন আসিফকে। ১৯তম ওভারের পঞ্চম বলে আসিফের আউটে আফগানিস্তান সমর্থকরা জয় ধরেই নিয়েছিল। তখন পাকিস্তানের বাকি ছিল ১ উইকেট। ক্রিজে দুই পেসার নাসিম শাহ এবং মোহাম্মদ হাসনাইন। গ্যালারি কাঁপছিল আফগান হুঙ্কারে, কাবুলি গর্জনে। কিন্তু নাসিম শাহ যে মুদ্রার উলটোপিঠ দেখিয়ে দেবেন, সেটি তারা ঘুণাক্ষরে ভাবনেনি, অবচেতন মনে কল্পনাও করতে পারেননি। ফজল হক ফারুকিকে মারা লং অফে নাসিমের ছয় বাউন্ডারির বাইরে আছড়ে পড়তেই উল্লাসে ভেসে ওঠে পাকিস্তান শিবির। হতবাক আফগানিরা যেন মেনে উঠতে পারেননি। তাইতো শারজার গ্যালারিতে মেতে ওঠেন চেয়ার ছোড়া-ছুড়িতে। কয়েকজনকে চেয়ার দিয়ে বাড়ি দিতেও দেখা যায়। সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম