ঢাকা ২৮ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ভারতের মেডিকেলে ক্লাস নিচ্ছেন আ.লীগের পলাতক এমপি প্রাণ গোপাল হয়রানি নয়, ন্যায্যতার ভিত্তিতেই কর আদায় সরকারের উদ্দেশ্য: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হামের উপসর্গে একদিনে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: প্রধানমন্ত্রী ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান চরম গরমের কবলে ইউরোপ, স্পেনে মৃত্যু ৩২৭ বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক দেশে ফিরেই বাবা-মায়ের মাজার জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর ওমরাহ পালন করলেন অভিনেত্রী ভাবনা বাড়ল ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধের মেয়াদ

পাঁচ দিন ধরে শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে পঞ্চগড়

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৮ ডিসেম্বর, ২০২৪,  12:15 PM

news image

উত্তরের জেলা হিমালয়কন্যা পঞ্চগড়ে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। সন্ধ্যা নমেলেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণে চেষ্টা করেন এ অঞ্চলের মানুষ। পঞ্চগড়ে গত ৫ দিন ধরে তৃতীয় দফায় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা নেমে ৯ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে। শনিবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ডিসেম্বর থেকে ৯ ডিগ্রির ঘরে তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ায় চার দিন ধরেই মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে এই হিমাঞ্চল পঞ্চগড়ে। এর আগে, ১৩ ডিসেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা ৬ দিন মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ছিল। স্থানীয়রা বলছেন, দিন-রাত দুই রকম তাপমাত্রা অনুভব হচ্ছে। সন্ধ্যা থেকে পরের দিন সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত তীব্র কনকনে শীতে হাড় কাঁপতে থাকে। রাতে তাপমাত্রা মাইনাস জিরো ডিগ্রিতে নেমে আসছে এমন মনে হয়। আবার ভোরেই ঝলমলে রোদ দেখা দেয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে তাপমাত্রা। সকাল ১০টার পর ভোরের শীতের প্রকোপ হারিয়ে যায়। বিকেল গড়াতেই শুরু হয় উত্তরের হিমেল বাতাস। সে বাতাসে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে শীতের মাত্রা। দিনে রাতে দুই রকম তাপমাত্রার কারণে বেড়েছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগব্যাধিতে আক্রান্তের সংখ্যা।  জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় গণমাধ্যমকে বলেন, গত ২৪ ডিসেম্বর থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে এই হিমাঞ্চলে। আজকেও তাপমাত্রা কমে ৯ ডিগ্রির ঘরে নেমেছে। গত ৫ দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ায় এ অঞ্চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম