ঢাকা ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
থানায় ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাকবিতণ্ডা, পুলিশের জিডি ডেঙ্গু ও হাম উপসর্গে একদিনে ১৩ মৃত্যু স্থানীয় নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ এখনো তৈরি হয় নাই: জামায়াত আমির চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই আসছে নতুন আইন: আইজিপি প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বই মাদ্রাসায় বলাৎকার রোধে কঠোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার গভীর সংকটে জাতিসংঘ, উত্তরণে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বাংলাদেশ এবার কালিয়াকৈরে কারখানার গুদামে ভয়াবহ আগুন সৌদিগামী ১৪১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ২১৯৩৩ যাত্রী পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইসরায়েল

পদ্মার ভাঙনে বিপর্যস্ত শরীয়তপুর, ঝুঁকিতে বাজার-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১১ অক্টোবর, ২০২৬,  11:18 AM

news image

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার কাচিকাটা ও নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর এলাকায় পদ্মা নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে কৃষিজমি, বসতভিটা ও বিভিন্ন স্থাপনা। হুমকির মুখে পড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কাচিকাটা বাজার ও সুরেশ্বরের ঐতিহ্যবাহী মাছবাজার। ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের হাজারো মানুষ। এ অবস্থায় দ্রুত স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও কার্যকর ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভেদরগঞ্জ উপজেলার কাচিকাটা ইউনিয়নে পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে বিস্তীর্ণ কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। ঝুঁকির মুখে রয়েছে স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কাচিকাটা বাজার ও অসংখ্য বসতবাড়ি। নদী ক্রমেই লোকালয়ের দিকে এগিয়ে আসায় উদ্বেগ বাড়ছে এলাকাবাসীর মধ্যে।


অন্যদিকে, নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর এলাকায় পদ্মার ডান তীররক্ষা বাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে বাঁধের ৫০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এর পাশেই প্রায় ৩০০ মিটার এলাকাজুড়ে নতুন করে ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে সুরেশ্বর মাছবাজারসহ আশপাশের জনবসতি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হুমকির মুখে পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ইতোমধ্যে অন্তত ২০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।


ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দারা জানান, প্রতি বছর পদ্মার ভাঙনে তাঁদের ফসলি জমি, বসতভিটা ও বিভিন্ন স্থাপনা হারিয়ে যাচ্ছে। নদী যেভাবে এগিয়ে আসছে, তাতে যেকোনো সময় আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বহু পরিবারকে বসতভিটা ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে হতে পারে। তাই জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন প্রতিরোধের পাশাপাশি স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।


শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মিল্টন হোসেন বলেন, নদীতে পানি কমতে থাকায় কিছু স্থানে তলদেশের মাটি সরে যাচ্ছে। এ কারণে তীররক্ষা বাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চলছে।


তিনি আরও বলেন, ভেদরগঞ্জ উপজেলার কাচিকাটা এলাকায় ৩০০ মিটার অংশে ভাঙন প্রতিরোধে জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হয়েছে। এ ছাড়া ভাঙন রোধে একটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। পরিকল্পনাটি অনুমোদন পেলে পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করা যাবে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম