ঢাকা ০৩ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে বাহরাইনের রাজার শোক প্রকাশ মেঘলা-কুয়াশাচ্ছন্ন ঢাকায় তাপমাত্রা ২৩.৩ পাকিস্তানে কনস্যুলেটে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালায় মার্কিন মেরিন বাহিনী বড় ঝুঁকিতে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা চারদিনে বাংলাদেশ থেকে বাতিল হলো ১৩১ ফ্লাইট সর্দি-কাশির উপশমে কালোজিরা মানবতাবিরোধী অপরাধ: সালমান-আনিসুলের মামলায় দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ আজ ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না ট্রাম্প ইরানের ওপর হামলা আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন: এরদোয়ান

নীলফামারীতে ৯ দিন সূর্যের দেখা নেই, বিপর্যস্ত জনজীবন

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৭ জানুয়ারি, ২০২৪,  11:55 AM

news image

উত্তরের জেলা নীলফামারীতে হিমেল হাওয়ার সঙ্গে জেঁকে বসা শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। শীতের দাপটে বেশ কাবু হয়ে পড়েছেন দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষরা। টানা ৯ দিন ধরে নীলফামারীতে সূর্যের দেখা নেই। ঘন কুয়াশায় ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সেই সঙ্গে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া লোকজন ঘরের বাইরে বের না হওয়ায় রাস্তাঘাট, হাটবাজার, রেলস্টেশন বাস টার্মিনালসহ পাবলিক প্লেসে লোকজনের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা অফিসে গেলেও কাজকর্মে চলছে স্থবিরতা। জীবিকার তাগিদে নিম্ন আয়ের মানুষরা বের হলেও কাজ না পেয়ে পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। বিশেষকরে রিকশা-ভ্যানচালক, দিনমজুর, কৃষি শ্রমিকরা পড়েছেন চরম বিপাকে।জেলার সৈয়দপুরের রিকশা চালক আব্দুল জব্বার (৪৭) বলেন, তীব্র ঠাণ্ডায় কাজে যেতে পারছি না। অভাবের সংসার, কাজে যেতে না পারায় খুব সমস্যায় আছি।রাজমিস্ত্রীর যোগালী শমসের আলী (৫৩) বলেন,

গত কয়েকদিন ধরে রোদ ওঠে না। ঠাণ্ডার কারণে রাস্তায় মানুষের চলাচল কমে গেছে। বাড়িতে বসে থাকলে পেটে খাবার জুটবে না। বাধ্য হয়ে প্রচণ্ড শীতের মধ্যেও রাস্তায় বেরিয়েছি। সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হাকিম বলেন, উত্তরের হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। কয়েক দিন থেকে নীলফামারীর তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। এ রকম তাপমাত্রা আরও কয়েকদিন থাকতে পারে। বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা কম। এদিকে ঠাণ্ডা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার হার বেড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপও বেড়েছে। নীলফামারীর সিভিল সার্জন ডা. মো. হাসিবুর রহমান বলেন, শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এ সময় চলাফেরায় সবাইকে সাবধান হতে হবে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ঠাণ্ডা লাগানো একেবারেই যাবে না। নীলফামারীর জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ বলেন, শীত মোকাবিলায় পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তা প্রস্তুত আছে। শীতবস্ত্র হিসেবে জেলার ৬ উপজেলা ও চার পৌরসভায় তিন দফায় ৩৬ হাজার ৮৮০টি কম্বল পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শীতার্ত মানুষদের কথা চিন্তা করে আরও শীতবস্ত্রের চাহিদা পাঠানো হয়েছে। আশা করি দ্রুতই সেগুলো পাওয়া যাবে। তা পেলেই আবার বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম