ঢাকা ০৭ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
দেশে ৪ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু তামিমকে সভাপতি করে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা শিরীন শারমিনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্বাস্থ্যখাতে আরও অবনতি হয়েছে: রিজভী ‘আল্টিমেটাম রাজপথে দেওয়া যায়, সংসদে নয়’ সাকিবের জাতীয় দলে খেলা নিয়ে যা বললেন বুলবুল অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করা হবে: ডা. জাহেদ অ্যাপের মাধ্যমে কিনতে হবে জ্বালানি "আব্দুর রউফ চৌধুরী সাহিত্য পদক-২০২৬ প্রদান"

নীলফামারীতে প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ বন্ধ করায় কৃষি জমি ক্ষতিগ্রস্থ

#

১০ জুলাই, ২০২৩,  6:26 PM

news image

মোঃ নাঈম শাহ: নীলফামারীতে প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ বন্ধ করার ফলে কৃষি জমি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জলপ্রবাহ বন্ধ হওয়ার ফলে কৃষি জমিতে পানি ভরাট হয়ে কবরস্থানের উপরে জলাবদ্ধতা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ধোবাডাঙ্গা পাঠান পাড়া নিকটস্থ বেতগারা দোলায়। স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান,‘ ওই এলাকার ছাকাত আলী ও হাফিজার রহমান নামে দুই ব্যক্তি বেতগারা দোলার প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ যাওয়ার রাস্তায় উচু পাড় বেধে মাছ চাষ শুরু করায় স্বাভাবিক জলপ্রবাহ বন্ধ হয়ে রয়েছে। এতে করে ওই মাছ চাষ এলাকার পাশ্ববর্তী জমির পানি নিষ্কাষন না হওয়ায় জলাবদ্ধ হয়ে রয়েছে। এছাড়াও একই এলাকার আবু হানিফ মিন্টু ও আনিছুর রহমান সহ বেশ কয়েকজন মিলে সরকারি কালভার্ট বন্ধ করে পুকুর খনন করে পানি প্রবাহ বন্ধ করে। যার ফলে বর্ষা মৌসুমে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে কৃষকেরা। এতে করে দোলার প্রায় ৫০ বিঘা জমিতে জলাবদ্ধ হয়ে থাকায় চাষাবাদে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।’ স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর ইসলাম অভিযোগ করে বলেন,‘ মিন্টু সরকারি কালভার্ট বন্ধ করে মাছের প্রজেক্ট তৈরি করায় আমাদের জমির পানি বের হতে পারছে না। যার কারণে আমাদের জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। জলাবদ্ধতার ফলে আমার জমির বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে।’ অপর এক বাসিন্দা নূর ইসলাম বলেন,‘ এখানে ছাকাত, হাফিজার, মিন্টু, আনিছুর মিলে ৭-৮টা মাছের প্রজেক্ট বানিয়েছে। যার কারণে মাছের প্রজেক্টের আশে পাশের জমিগুলোতে জলাবদ্ধতা হয়ে রয়েছে। এক-দুই জনের মাছ চাষের জন্য শতাধিক মানুষের জমির আবাদ হচ্ছে না। অনেক বৃষ্টিতে কবরস্থানে পানি উঠে যাবে। আমরা এর থেকে পরিত্রান চাই। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।’ স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে ছাকাত, হাফিজার, মিন্টু, আনিছুর মিন্টুর সাথে কথা বলতে গেলে সংবাদকর্মীদের দেখে তারা স্থান ত্যাগ করায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয় নি। এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন নাহার বলেন,‘ বিষয়টি পর্যবেক্ষন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম